নড়াইলে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি জবর দখলের চেষ্টা ,পাশে দাঁড়ালো বিএনপি

নড়াইলে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা হিন্দু সম্প্রদায়ের  জমি জবর দখলের চেষ্টা ! পাশে দাঁড়ালো বিএনপি।
নড়াইলের লোহাগড়া পৌর শহরের কুন্দশী এলাকার মালোপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ১০ শতাংশ জমি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক একজন নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ওই ভুক্তভোগী লোহাগড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে ভুক্তভোগীর এহেন দু:সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন স্হানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, থানায়,দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া পৌরসভার কুন্দশী এলাকার মৃত জিতেন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে উত্তম সরকার ও তার ভাই পৈতৃক সূত্রে ৮৬ নং কুন্দশী মৌজায় ১৯৭ নং খতিয়ানে আরএস ২৮৩ দাগে ৪০ শতাংশ জমি ভোগদখল করে আসছিল। অভিযোগ সূত্রে আরও জানা গেছে, গত ১৪ আগষ্ট সকাল ১০টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা সলিমুল্লাহ পাপ্পু’র নেতৃত্বে ১২০/১৫০ জনের একদল দূর্বৃত্ত নিয়ে অতর্কিতভাবে উত্তম সরকারের ৪০ শতাংশ জমির মধ্যে ১০ শতাংশ জমি দখল করে সেখানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। ভুক্তভোগী উত্তম সরকার কান্না জড়িত কন্ঠে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‘জমি জবর দখলের সময় দূর্বৃত্তদের বাঁধা দিলে তারা, অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে জীবননাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তিনি ১৬ আগষ্ট লোহাগড়া থানায় একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন এবং তিনি সৃষ্ট ঘটনার বিচার চেয়েছেন’।

এদিকে লোহাগড়ার মালোপাড়ায় একজন আওয়ামী লীগের সাবেক নেতার বিরুদ্ধে জমি জবর দখলের ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে লোহাগড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি খান মাহমুদ আলম, শ্রমিকদল নেতা জহির শেখসহ অন্যরা ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তার দখল হওয়া জমি উদ্ধারের জন্য সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আলাপকালে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা সলিমুল্লাহ পাপ্পু কে একাধিক বার ফোন করে ও পাওয়া যায় নাই। কথা হয় লোহাগড়া থানার এসআই ও মল্লিকপুর ইউনিয়নের পুলিশের বিট অফিসার সৈয়দ আলীর সাথে। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর শনিবার (১৭ আগষ্ট) ঘটনাস্হল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031