প্রেস বিজ্ঞপ্তি”প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ ও ফেসবুক বন্ধুরা”

প্রেস বিজ্ঞপ্তি“প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ ও ফেসবুক বন্ধুরা”

আমি এম সনজু আহমেদ
গত কয়দিন থেকে ফেসবুকে আমার একটি মিথ্যা ভিডিও ব্ল্যাকমেইল করে তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমে ছেড়ে দেয়।
আমার কিছু কাছের মানুষ আমাকে ব্যবহার করে সামাজিক মাধ্যমে এগুলো শেয়ার করছে। এবং আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই যারা আমাকে নিয়ে ব্যবহার করেছে।
যদি ঘটনাটা সত্যিই হবে তাহলে কেন গত দুই মাস আগের ঘটনা এখন ছড়ানো হচ্ছে। আপনারা যে ভিডিও গুলো দেখছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে আমার পাশে যেই মেয়েটি বসা আছে, সে
মেয়েটি একটি চক্রের সদস্য তাকে আমার পাশে বসিয়ে রেখেই ভিডিও ধারণ করে, এবং আমাকে ব্যাপক মারধর করে সেখানে বসিয়ে রাখা হয়। ঘটনাটা যদি খারাপই হবে তাহলে ওই মেয়েটি কেন প্যান্ট পড়া অবস্থায় ছিল।
এই মেয়েটি কৌশলে আমাকে আলমডাঙ্গা বাবু পাড়াতে ভাড়া বাসায় দেখে নিয়ে যায়
যেতে না যেতেই আমার উপরে
চক্রের সদস্যরা ৫ থেকে ৬ জন আমার প্যান্ট ও টি শার্ট খুলে আমার প্যান্টের বেল দিয়েই আমাকে মারধর করে, এবং পূর্ব শত্রুতার জেরে এমনটা করা হচ্ছে আমি বুঝতে পারায় বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করি আমি নিজে এখান থেকে বের হওয়ার জন্য চেষ্টা করি ।

এক পর্যায় চক্রের সদস্যরা মোটা টাকার দাবি করে কৌশলে কিছু টাকা আমার মোটরসাইকেল গাড়ি নিয়ে আমার দোকান থেকে টাকা নেয়া হয়। পরবর্তীতে আরো টাকার দাবি করে টাকা না দিলেই ভিডিওটি সাংবাদিকদের মাধ্যমে ভিডিওটি ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়।

আমি সঙ্গে সঙ্গেই আলমডাঙ্গা থানাতে অবগত করার জন্য চেষ্টা করলেও বিভিন্ন কৌশলে আমাকে বাধা দেয়া হয়।
আমি পরবর্তীতে জানতে পারি এই চক্র সদস্যরা আরো বড় বড় ব্যবসায়িক দের বিভিন্ন জায়গায় এভাবে ব্ল্যাকমেইল করে
লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

আমি এর ঘটনার তিন দিন পর চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।
এই চক্রের বিরুদ্ধেই এসএফ টিভিতে একটি নিউজ করা হয়েছিল গত বছর, নিউজটি করেছিলেন এস এফ টিভির এক প্রতিনিধি সেই নিউজ ই আমার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে,প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তারা আমাকে এভাবে ব্ল্যাকমেল করে ও চাঁদাবাজি করে,

এরপর দেড় মাস পর ফেসবুকে সাংবাদিকদের মাধ্যমে ভিডিওটি ছেড়ে দেয়। ভিডিওটি মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়, লোক সমাজে মধ্যে মুখ দেখানো আমার জীবনে অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দেয় ও টাকা না দেওয়ায় ও উক্ত ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন অনিবন্ধিত অনলাইন রেডিও চুয়াডাঙ্গা ও কয়েকটি ফেসবুক পেজে শেয়ার করে টাকা দাবি করে টাকা না দিতে চাইলে আরো কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় পরবর্তীতে আমি লোক লজ্জার ভয়ে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নেই,ঈদের পরের দিন শ্বশুরবাড়িরতে নিজ স্ত্রী ও দুই সন্তানকে রেখে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে রওনা দেই, মিরপুর এক নির্জন স্থানে ঘুমের ঔষধ সেবন করি ঔ অবস্থায় আমার মোটরসাইকেল চালাতে চালাতে মিরপুর মশান বাজার এর সন্নিকটে রাস্তার পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে যায়, অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় স্থানীয় মিনারুল ইসলাম আমার এক পূর্ব পরিচিত সে আমাকে এভাবে দেখে গভীর রাত হওয়ায় তার বাড়িতে নিয়ে যায় ও তার বাসায় রাখে, তার কিছুক্ষণ পর আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আমাকে অচেতন ও অসুস্থ অবস্থায় আমাকে উদ্ধার করে,

দোয়া করবেন আমার জন্য আপনাদের সাথে করে নিয়ে আমি জানো মোকাবেলা করতে পারি

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031