বর্তমান ছাত্র ও যুব সমাজ ধ্বংসের কারণ অনলাইন জুয়া

মোঃ রাবিব আল আমিন: অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, এসব খেলা স্বাভাবিক গেমের মতো হওয়ায় প্রকাশ্যে খেলা হলেও আশপাশের মানুষ তা বুঝতে পারেন না।

জুয়ায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের বেশির ভাগই স্মার্টফোন রয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রথম অংশগ্রহণ কারীদের জুয়ায় জিতিয়ে লোভে ফেলা হয়। এরপর নেশা ধরে গেলে একের পর এক টাকা খোয়ানোর ঘটনা ঘটতে থাকে। তখন আর বের হওয়ার কোন পথ থাকে না।
বিরামপুর উপজেলার এক শিক্ষার্থী জানায়, বন্ধুদের জুয়া খেলতে দেখে প্রাইভেট পড়ার ৫০০ টাকা শিক্ষককে না দিয়ে তা দিয়ে খেলা শুরু করেছিল সে। শুরুর দিকে ভালো লাভ হতে থাকে। কিন্তু তার পরেই লোকসানের পাল্লা বাড়তে থাকে। ইতিমধ্যেই বাড়ি থেকে বিভিন্ন কৌশলে টাকা নিয়ে খেলায় হারতে হারতে শেষ পর্যন্ত মুঠোফোন বিক্রি করে দিতে হয়েছে তাকে। এটি নেশার মতো। খেলা শুরু করলে যতক্ষণ টাকা থাকে, ততক্ষণ খেলতে ইচ্ছা করে।
বিরামপুর উপজেলা সহ সারাদেশে কমবেশি বিভিন্ন স্থানে স্মার্টফোন ব্যবহার করে ছাত্র ও যুব সমাজ এই অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে ঘরের জিনিসপত্র বিভিন্ন কৌশলে চুরি করে বিক্রি করতেছে। এই অনলাইন জুয়ার কারণ

সর্বশেষ খবর