
চাদঁপুরের কচুয়ায় গবাদি পশুর খামারে অগ্নিসংযোগ ও পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ।
শুক্রবার রাতে কোন এক সময় উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের চক্রা মুন্সি বাড়ি সংলগ্ন নাছির উদ্দিন মিন্টুর খামারে এ ঘটনা ঘটে।শনিবার সরজমিনে গেলে খামারের মালিক নাছির উদ্দিন মিন্টু জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরধরে পাশ্ববর্তী বাড়ির আলমগীর ও তার ছেলে ওমর ফারুক রুবেল দলবল নিয়ে শুক্রবার রাতে আমার ছাগলের খামারে বাহির থেকে তালা দিয়ে খড়ের বিতরে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং খামারের পাশে মাছের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। তালাবদ্ধ ঘরের ভিতর থেকে আমি আগুন দেখতে পেয়ে আমার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।তক্ষনিক কচুয়া থানা পুলিশকে অবগত করলে ,এস আই মাহাদী হাসান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ এলাহী সুভাষ ও ইউপি সদস্য সোহাগ হোসেন মুন্সি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি আরো জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি আমার চাষ করা ঘাসের জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে আলমগীর হোসেন গং আমাকে মারধর ও গবাদিপশুর ক্ষতিসাধন করবে বলে হুমকি প্রদর্শন করায় আমি ২৭ ফেব্রুয়ারি কচুয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।স্থানীয় অধিবাসী ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদীন- জাকির হোসেন, শামসুল আলম মুন্সিসহ অনেকেইে জানান’ খামারের পাশেই ঘাসের চাষ করা জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে নাছির উদ্দিন মিন্টুর সাথে আলমগীর হোসেন গংদের বিরোধ চলে আসছে। নাছির উদ্দির মিন্টুর খামারে অগ্নিসংযোগ ও পুকুরে বিষ প্রয়োগের ঘটনাটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও নিন্দনীয়।এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।ঘটনার বিষয়ে আলমগীর হোসেনের পিতা অহিদুল ইসলাম জানান’ আমার বাড়ির পাশে ঘাসের জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে নাছির উদ্দিনের সাথে বাকবিতন্ডা হয়েছে।শুক্রবার রাতে মিন্টুর খামারে অগ্নিসংযোগ ও পুকুরে বিষ প্রয়োগের বিষয়ে আমাদের জানা নেই।কচুয়া থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান জানান’ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।










