
ব্রিটিশ আমলের স্থাপিত ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু ছিল স্বাধীনতার পরও। তবে লোকের কারণে ১৯৭১ সালের দিকে এখানে বিমান ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়। যাত্রী কম হওয়ায় অজুহাত দেখিয়ে 1980 সালে বিমানবন্দর টিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয় এরপর অনেক উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হলেও 43 বছরেও এই বিমানবন্দর আর চালু হয়নি। বিমান ঘাঁটি টি গোচারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি আগামী সমৃদ্ধ কে ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম স্মরণী হতে পারে এই বিমানবন্দরটি। জেলার শিল্প কারখানা নির্মাণ থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক কর্মচারণ বাড়াতে রাখতে পারে বিমানবন্দরটি বড় ভূমিকা।
বিমানবন্দরটি জেলার শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে সড়কের মাদরগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত। ১৯৪০ সালের বাসনা এখন জমিতে বিমানবন্দরটি প্রতিষ্ঠান করা। বন্দরটি প্রথম রান হয়ে তিন কিলো মিটার এলাকা জুড়ে।
জানা যায় তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার বিমানবন্দরটি সামরিক কাজে ব্যবহার করার জন্য ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরটি প্রতিষ্ঠান করেছিলেন। পাকিস্তান সরকার বিমানবন্দরটির জমি আর্মি স্টেট হিসেবে ঘোষণা করেন।
ঘোষণা দেওয়ার পর ১১১ একর জমি প্রায় সিভিল অভিয়েশন। ওই অংশে পরে ভবন ও রান হয়ে করা হয়। ১৯৬৫ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ভারতীয় বিমান বাহিনী হামলায় বিমানবন্দরের ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এদিকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ১৯৭৭ সালে লাইট পরিচালনার জন্য সংস্কার করা হয়। মাত্র দুই বছরে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা হলেও আগ্রহের অভাব এবং যাত্রী কম হয়ে যাওয়ায় ক্রম থেমে যায়। ১৯৮০ সালে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পরিত্যক্ত ঘোষণা। সেই তখন থেকে পরিত্যক্ত ও উন্মুক্ত অবস্থায় পড়ে আছে এই বিমানবন্দরটি স্থানীয়রা বিমানবন্দরের জমিতে লিস্ট নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলিয়ে আসছে। এছাড়াও বিমানবন্দরের একটি ব্যবহার হচ্ছে কৃষকদের চাটার হিসেবে।
এদিকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে পরিত্যাক্ত ঠাকুরগাঁও ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর অবকাঠামোর পরিদর্শন করেছি ছিলেন সরকারের সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মিলন এবং 2019 সালে এপ্রিল মাসের বিমানবন্দর পরিদর্শন করতে আসেন বর্তমান রেল পথ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন। তারা দুজনই ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দ র চালু করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আশ্বাস দেন। সেই আশ্বস্ত দীর্ঘদিন অব্যাহত হলেও বিমানবন্দরটি চালু বিষয়টি কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা ফুল ইসলাম বলেন‚ স্থানীয় মানুষজন বিমানবন্দরের জমিগুলো লিজ নিয়ে চাষাবাদ করে আসছে। ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর এখন ও গোচারণ ভূমি পরিণত হয়েছে।
সংস্কৃত কর্মী মাসুদ রানা বলেন উপর বিমানবন্দরের চেয়েও আমাদের ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর রানওয়ে অনেক বিশাল। আমরা চাই অবশ্যই সরকার ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেক










