পেটের দায়ে আলমডাঙ্গাতে এসে খেজুর গাছ কেটে রস দিয়ে গুড় তৈরী  করছি
পেটের দায়ে আলমডাঙ্গাতে এসে খেজুর গাছ কেটে রস দিয়ে গুড় তৈরী  করছি
তাতে আলমডাঙ্গাবাঁশি ভেজাল মুক্ত গুড় পাচ্ছে।  পক্ষান্তরে আমার পেট ও সংসার কোনরকমভাবে  চলে যাচ্ছে। সারাদিন গাছ কাটি সন্ধায় ভার বাধি আর ভোরবেলা থেকে রস জ্বালানো শুরু করি এভাবেই চলছে দিন
 কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় আলমডাঙ্গা এসে ১৩০ টি ভার বেধেছিলাম কিন্তু এখন আর আছে মোট ৬৭ টি। প্রতিদিন ৪-৫ টি ভার চুরি হয় যা এর আগে পাবনায় গাছ কেটেছি ওখানে এমন হয়নি কখনও।রস চুরি করার দরকার নায়  রস লাগে গুড় লাগে যত ইচ্ছা পেট পুরে খেয়ে যাক, কিন্তু আমাদের এমন অত্যাচার করলে হয়তো আর আসবো না আলমডাঙ্গাতে, যেখানে আমার রুজি রোজগার সেখানেই লাথি দিচ্ছে  এ অঞ্চলের লোকজন। এভাবেই কেঁদো কেঁদো ভাবে কথা গুলো বলছিলেন রাজশাহী থেকে আগত খেজুরের গুর প্রস্তুতকরণ তিনজন ব্যাক্তি। স্টেশনের পাশে খেজুরের ডাল দিয়ে জীর্ন শীর্ন স্থানে রাস্তার ধারে  দুইমুঠো খাবারের জন্য দেশান্তরিত হয়েছি। সেদিন এক অপরিচিত  ব্যাক্তি   এসে  বললো এখানেই বাসা Plus তাকে যতোটুকু পেরেছি   খেজুরের   গুর, সিন্নি খেতে দিলাম কিছুক্ষণ পরে বমরা গাছ কাটতে চলে গেলে সব ছিন্নিগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। হয়তো আলমডাঙ্গাতে আর গুর তৈরী করা  হবে না। সারাদিন কষ্ট করে রস জ্বালিয়ে ১০ থেকে ১১ কেজি গুর হয়। তিন জন মানুষ খেয়ে দেয়ে পরিবারকেও কিছু পাঠাতে হয়।বৃদ্ধ বয়সে এখন আর কি করবো। পূর্বের পেশা তাই ছাড়তে পারি না। এক একটা ভারের দাম ৭০ টাকা রস খাওয়ার পর ভার ভেঙ্গে রাখে নায় চুরি করে নিয়ে যায়। এমন অত্যাচার দেখে মনে হচ্ছে এখনই চলে যায়।

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031