প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে বাড়ি তৈরি করছেন জসিম উদ্দিন

প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে বাড়ি তৈরি করছেন জসিম উদ্দিন

 

প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে পরিবেশবান্ধব বাড়ি তৈরি করে এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১ নং পাড়িয়া ইউনিয়নের জসিম উঊদ্দিন (৫০)। ফেলে দেওয়া কোমল পানীর প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে দৃষ্টিনন্দন বাড়ি তৈরি করছেন জসিম উদ্দিন । জসিম উদ্দিন ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১ নং পাড়িয়া ইউনিয়নের রায়মোহল গ্রামের বাসিন্দা। পরিবেশ দূষণকারী প্লাস্টিকের বোতলে বালু ভর্তি করে সিমেন্ট দিয়ে পরিবেশবান্ধব এই বাড়ি তৈরি করছেন তিনি। তার বাড়িটি এখন আশপাশের অনেক মানুষ
প্রতিদিনই দেখতে আসেন এখানে। জসিম উদ্দিন সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, জীবিকার তাগিদে আমি ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। কাজ শেষ করে অবসর সময়ে আমি ইউটিউব দেখি সেখান থেকেই প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে বাড়ি তৈরি করার চিন্তা আমার মাথায় আসে। এর মধ্যে জসিম উদ্দিন ইউটিউব দেখে কিভাবে বোতল দিয়ে বাড়ি তৈরি করা যায় সেটি শিখে ফেলেন। এরপর‌ই জসিম উদ্দিন তার বাড়ির কাজ শুরু করেন।
তিনি বলেন, আমি ১ মাস ধরে বাড়ির কাজ শুরু করেছি। বাড়ির কাজ শেষ করতে আমার আরও কিছুদিন সময় লাগবে। আপাতত আমি দুইটি রুম তৈরি করছি পরবর্তী সময়ে এল করে আরেকটি রুম তৈরি করব। এটি তৈরি করার পর দেখব যে কেমন লাগছে। এখন পর্যন্ত আমার কাছে যে বোতলগুলো ছিল সেগুলো দিয়ে আমি এই পর্যন্ত উঠিয়েছি। তবে বোতল এখন শেষ । আমি ভাঙারি দোকান থেকে ২৫ থেকে ৩০ টাকা দিয়ে বোতল কিনে নিয়ে আসি । এক কেজিতে ৫০টা বোতল হয়। সেই দিক থেকে ইটের তুলনায় বোতলের যে খরচ সেটা অনেক কম পড়বে।


প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলে জানা যায় জসিম উদ্দিন বাড়ির কাজ করতেছে দেখে আমরা অবাক হয়েছি। আমরা অনেকবার বলেছি যে এই বাড়িটি তুমি কিভাবে করবে। তিনি বলেন যে, এই বাড়িটা আমি অনেক সুন্দর করে করতে পারব। এখন দেখতেছি বাড়িটি অনেক সুন্দর হচ্ছে। এতে খরচ অনেক কম হচ্ছে এবং বাড়িটা বেশ পরিবেশবান্ধব হবে বলে মনে হচ্ছে। জসিম উদ্দিন এর বাড়ি দেখতে আসা আল‌ আমিন বলেন,তার বাড়িটি দেখতে আমি আমজানখোর ইউনিয়ন থেকে দেখতে এসেছি। তার বাড়িটি অনেক সুন্দর হয়েছে। যদিও কাজ শেষ হয়নি, তবে এখন থেকে মনে হচ্ছে যে এটার খরচ অনেক কম এবং সুবিধা অনেক বেশি। বোতল বাড়িটি পরিবেশবান্ধব একটি বাড়ী

সর্বশেষ খবর

Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031