
হাবিলাসদ্বীপ আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ দু’ভাগে বিভক্ত হয়েই বিজয়ের প্রথম প্রহরে স্মৃতি সৌধে শ্রদ্ধা।
চট্টগ্রাম পটিয়ার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ অঙ্গও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস-২৩ উপলক্ষে আজ সকালে স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের পাশে অবস্হিত স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক দিয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন।
এসময় হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আহমদ নবী চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আবু সাহে্ল চৌধুরী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মৃদুল কান্তি নন্দী, সেক্রেটারি,হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন সদস্য, আওয়ামীলীগ নেতা আশরাফুল আলম শামীম,ঝোলন কান্তি দত্ত, আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে বেশ কিছু নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।এরা বর্তমান এমপি হুইপ শামশুল হক চৌধুরী গ্রুপ হিসাবে এলাকায় বলাবলি করলেও এব্যাপারে মুটোফোনে আবু সাহে্ল চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- আমরা কোন গ্রুপে বিভক্ত হয়নি আমরা সবাই মিলেমিশে প্রতিবছরের মতো এই বছরেও ঐক্যবদ্ধ ভাবে বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছি।আমাদের মাঝে কোন বিভক্তি নেই। আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী।
এদিকে এব্যাপারে ইউনিয়নের আরো কয়েকজন সিনিয়র নেতার সাথে যোগাযোগ তারা কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এরপরে স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন এলাকায় বর্তমান মনোনয়ন প্রাপ্ত চট্টগ্রাম পটিয়া-১২ নৌকার মাঝি দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সদ্য বিদায়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরী গ্রুপ হিসাবে পরিচিত আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ অঙ্গও সহযোগী সংগঠনের নেত
এরপরে স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন এলাকায় বর্তমান মনোনয়ন প্রাপ্ত চট্টগ্রাম পটিয়া-১২ নৌকার মাঝি দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সদ্য বিদায়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরী গ্রুপ হিসাবে পরিচিত আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ অঙ্গও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সেক্রেটারি আবু মুহাম্মদ আবছার চৌধুরী,মুহাম্মদ ইউনুছ মিয়া,আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ জাহেদুল হক,মোঃ শেখ আহমদ, মনোজ কান্তি দাশ, মুহাম্মদ মুসা আলম,সাবেক মেম্বার রফিক আহমদ, মুহাম্মদ সেলিম, মোঃ ফরিদুল আলম, মোঃ মহসীন খানঁ যুবলীগ সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম সহ আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এসময়ও অনেকের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য ফোন করা হলেও কেউ ফোন তুলেননি।অবশেষে ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ ফরিদুল আলম মোবাইল রিসিভ করলে বিভক্তির বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন- এখন আমাদের মধ্যে স্পষ্ট দুইভাগে বিভক্ত নৌকা প্রতীক ও স্বতন্ত্র। আমরা দল করি দলীয় সভানেত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যাকে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছেন আমরা তার সাথেই আছি।এতোদিন পনের বছর জনাব শামশুল হক চৌধুরীকে নেত্রী নমিনেশন দিয়েছিলেন বিধায় আমরা উনার সাথেই ছিলাম। এখন উনাকে যেহেতু নেত্রী নমিনেশন দেননি তাহলে আমরা আওয়ামীলীগ হিসাবে কিভাবে উনার সাথে থাকবো!?আবু সাহে্ল চৌধুরীর বললেন ঐক্যবদ্ধ আছেন এই প্রসঙ্গে ফরিদুল আলম বলেন ঐক্যবদ্ধ থাকলে উনারা দলবল নিয়ে এসে আমাদের আগেই ফুল দিয়ে চলে গেলেন কেন!?
খবর নিয়ে জানাগেছে এই বিষয়টি সুকৌশলে এগিয়ে গিয়েছেন হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ ফৌজুল কবির কুমার। তিনি কোন গ্রুপের সাথে ফুল নাদিয়ে কৌশলে সকলের পরে এসে হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ই
কৌশলে সকলের পরে এসে হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ইউপি সদস্য ও কিছু উনার অনুসারী নিয়ে বিতর্কিত এড়াতে আলাদা স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।এব্যাপারে জানতে উনার মুটোফোনে ফোন করা হলেও উনি রিসিভ করেননি।
দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থীতা ঘোষণা করার পরের দিন থেকে মুলত চট্টগ্রাম-১২ পটিয়াতে আওয়ামীলীগ স্পষ্ট দুইগ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়ে।বর্তমান তিনবারের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব শামসুল হক চৌধুরী গ্রুপ ও বর্তমান দলের মনোনয়ন প্রাপ্ত সদ্য বিদায়ি পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরী গ্রুপ।হুইপ শামশুল হক চৌধুরী ২০০৮,২০১৪,২০১৮ টানা তিনবার চট্টগ্রাম-১২ পটিয়াতে আওয়ামীলীগে মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শেষবার ২০১৮ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর উনাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীর সমমর্যাদায় সংসদের হুইপ বানান।কিন্তু টানা ১৫ বছর পটিয়াতে ক্ষমতায় থাকা কালে দৃশ্যমান উন্নয়নকাজ হলেও বিভিন্ন বড়সড় প্রকল্প গুলোতে অনিয়ম প্রবীণ ত্যাগী দলীয় নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন বীরমুক্তিযোদ্ধা অবমাননা দলীয় নেতাকর্মী বাদদিয়ে নিজের আলাদা লোকজন দিয়ে বলয় সৃষ্টি করে পটিয়া শাসন করাসহ নানা অভিযোগে তিনি এবার মনোনয়ন বঞ্চিত হন,মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পরপর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে কাজ করতেছেন ।পক্ষান্তরে পটিয়া আসনে এবার মনোনয়ন পান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সদ্য পদত্যাগ করা পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরী। এই ঘটনায় বর্তমান তিনবারের এমপি হুইপ শামশুল হক চৌধুরীর সাথে এতোদিন যেসব নেতাকর্মী ছিলেন এদের বেশিরভাগ বর্তমান এমপির সাথে থ�
বেশিরভাগ বর্তমান এমপির সাথে থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। শামশুল হক চৌধুরীর থেকে দলীয় প্রতীকের পক্ষে গিয়ে কাজ করছেন কিছু অংশ এবং এতোদিন সেসব ত্যাগী নেতাকর্মী নিজেদের অবমূল্যায়ন হয়েছেন মনে করতেন এবং আওয়ামীলীগ থেকে অন্য যেসব নেতা মনোনয়ন ফরম নিয়ে ছিলেন সবাই এখন একজোট হয়ে মনোনয়ন প্রাপ্ত পটিয়ার দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নৌকার মাঝি আলহাজ্ব মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে কোমড় বেঁধে নেমেছেন মাঠে মোতাহারুল ইসলাম চৌধুরীকে জয়ী করার জন্য।এই অবস্হায় তৃনমূলের সাধারণ নেতাকর্মীরা পড়েছেন বিব্রতকর অবস্হায়।এদিকে বর্তমান এমপি হুইপ শামশুল হক চৌধুরীর সাথে উনার নেতৃত্বে দীর্ঘ পনের বছরের রাজনৈতিক সম্পর্ক অপর দিকে দলের নীতি আদর্শের প্রশ্নে নেত্রী ও দলের হাই কমান্ড যাকে নমিনেশন দিয়েছেন নৌকা মার্কা দিয়েছেন তার বাহিরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই বলে মনে করছেন তৃনমূল নেতাকর্মীরা।










