
মান্দায় পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের,,,
মোঃ সুমন হোসেন মান্দা নওগাঁ।
দেশে উৎপাদন করা পেঁয়াজ ফুরিয়ে যাওয়ার পর অস্বাভাবিক ভাবে দাম বাড়ে পেঁয়াজের। ভারত থেকে আমদানি করে মেটাতে হয় পেঁয়াজের চাহিদা। তারপরও পেঁয়াজের দাম বাজারে থাকে আকাশছোঁয়া। পেঁয়াজ আমদানি করতে গিয়ে ব্যয় হয় বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। তাই দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে চাচ্ছে কৃষি বিভাগ।
পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়াতে চাষ হচ্ছে গ্রীষ্মকালিন চাষ। অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে বীজতলা তৈরি করা। এরপর বীজতলা থেকে চারা তুলে জমিতে রোপন করেছেন। আগামী জানুয়ারীতে বাজারে পাওয়া যাবে এই পেঁয়াজ।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, গ্রীষ্মকালীন এই পেঁয়াজ চাষ হচ্ছে মান্দায় ইতিমধ্যে এই পেঁয়াজ চাষের জন্য কৃষককে দেওয়া হয়েছে প্রণোদনা। এর মধ্যে এই পেঁয়াজের বীজ, সার, বীজতলা করার পলিথিনসহ অন্য উপকরণ চাষিদের বিনামূল্যে দিয়েছে কৃষি বিভাগ।
উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে মাঠের পর মাঠজুড়ে পেঁয়াজের চারা রোপনে চাষিদের দম ফেলার সময় নেই। সারিবদ্ধভাবে পেঁয়াজ রোপন করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
কৃষকরা বলেন, গতবছর আমি এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলাম। কিন্তু পেঁয়াজের দাম না পেলেও এ বছরে পেঁয়াজের অনেক দাম থাকায় এবারে ২বিঘা জমিতে পেঁয়াজ লাগিয়েছি।উপজেলার মাঠে- মাঠে সবাই দল বেধে লাইন করে সকাল থেকে বিকেল অব্দি। সবাই একসাথে পেঁয়াজের জমিতে বসে পেঁয়াজের চারা রোপন করছেন। এবার পেঁয়াজের দাম ভালো হওয়ায় জেলা জুড়ে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্য সব ফসলের পাশাপাশি পেঁয়াজ চাষের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন কৃষকরা।
মান্দার চাষীরা জানান, চলতি মৌসুমে আগাম পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে। গত বছর ১ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করে বাজারমূল্য ভাল পেয়েছিলেন। এবারও আশানুরুপ দাম পাবেন বলে জানান।
মান্দা উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা শায়লা শারমিন জানান, এ বছর উপজেলায় সর্বত্রই কমবেশি পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। তবে পেঁয়াজ চাষিদের সব সময় পরামর্শ দেওয়া হয়।










