
খুলনার পাইকগাছা থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মাদক মামলায় চারজনকে তিন মাস করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ২২ পিস ইয়াবাসহ একজন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের পৃথক মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, মাদকসংক্রান্ত সামারি ট্রায়াল মামলায় চারজনকে তিন মাস করে কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন-গড়ইখালী গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী জোয়াদ্দারের ছেলে রুবেল জোয়াদ্দার, রেজাকপুর গ্রামের মৃত সিরাজ সরদারের ছেলে ইস্রাফিল সরদার, গড়ইখালী গ্রামের আজিজুল মল্লিকের ছেলে এনামুল মল্লিক এবং একই গ্রামের নজরুল ইসলাম গাজীর ছেলে ওবায়দুর রানা।অন্যদিকে, শনিবার রাতে উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. হাসিবুর হোসেন ওরফে শিমুলকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি কপিলমুনি গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে, মামলা নং- ৫, তারিখ ৮/১১।এ ছাড়া চতুর্থ শ্রেণির ১০ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার আসামি আব্দুল আজিজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলা নং- ৪/১১। তিনি চাঁদখালী ইউনিয়নের কাটাবুনিয়া এলাকার মৃত হোসেন আলী সরদারের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু খাদিজা খাতুনের ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।একই রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় পাতড়াবুনিয়া গ্রামের মৃত কালীচরণ মণ্ডলের ছেলে দেবাশীষ মণ্ডলকে (৪১) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।