
রাউজানে বসতবাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা লুটপাট নিরব প্রশাসন
নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের রাউজানের বসত ঘরে সন্ত্রাসীদের হামলা , পরিবারের সদস্যদের অকথ্য নির্যাতন, মারধর, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নীরব প্রশাসন
২১ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাউজানের ৮ নং ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ তোরাব মিয়াজির বাড়ির কামরুল ইসলামের বসত ঘরে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস যোগে ১০/১২ জন দুর্বৃত্ত কামরুল ইসলামের ঘরে ঢুকে তার পরিবারের সদস্যদের উপর অকথ্য নির্যাতন করত থাকে। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা পরিবারের সদস্যদের অকাথ্য ভাষায় গালিগালাজ, মারধর, শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করে হুমকি, ধামকি দিতে থাকে এবং বলতে থাকে সে কেন আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করল।
এ সময় দুর্বৃত্তরা কামরুলের বাসার আলমারি ভেঙ্গে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। তাছাড়া বাসায় ফার্নিচার সহ প্রয়োজনীয় সবকিছু ভেঙ্গেচুরে একাকার করে দিয়ে যায়।
এমনকি সন্ত্রাসীরা চলে যাওয়ার সময় কামরুল পরিবারের সদস্যদের বেধড়ক মেরে আহত করে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয় সংসদ সদস্যের ছত্রছায়ায় এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবী তাদের।
এই এলাকায় হত্যা, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মারামারিসহ একাধিক চাঞ্চল্যকর মামলার অন্তত ১০-১২ জন সন্ত্রাসী এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে কামরুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে আমাদের প্রতিবেদক যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি ধর্ম প্রাণ একজন লোক। তরিকত করে কয়েকটি ঘর করে তরিকতের বিভিন্ন ওয়াজ নছিহতের ব্যবস্হা করি। ২০১৯ সালের দিকে আমাদের তরিকতের কয়েকটি ঘর দুর্বৃত্তরা ভেঙ্গে দিলে আমি বাদি হয়ে মামলা করি। সম্প্রতি সেই মামলার ওয়ারেন্ট বের হলে বৃহস্পতিবার বিকেলে সাড়ে ৪ টায় আমার অনুপস্থিতিতে ১০/১২ জন সন্ত্রাসী আমার বাড়িতে ডুকে আমার স্ত্রী ছেলেমেয়েদের নির্যাতন মারধর ও আমাকে আমার পরিবারকে মামলা করার কারণে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। এরিসাথে তারা আমার ঘরের আলমারি ভেঙ্গে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসীর যে কোন সময় তার ও তার পরিবারের চরম ক্ষতি করতে পারে এই নিয়ে তিনি
খুবই উদ্বিগ্ন ও চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
তিনি তার ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসন ও সর্ব মহলের সহায়তা কামনা করেছেন।
এদিকে এই হামলার বিরুদ্ধে আইনি কোন পদক্ষেপ নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নে কামরুল ইসলাম জানান তিনি আদালতে মামলা করবেন।










