
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আরও তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর পরিচালিত পৃথক এসব অভিযানে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালায়।
পুলিশ জানায়, ৭ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে আলমডাঙ্গা পৌরসভার রেলস্টেশন-সংলগ্ন পুরোনো গোডাউনের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ডাউকি (মাঝেরপাড়া) গ্রামের রশিদ জোয়ার্দ্দারের ছেলে মো. আব্দুর রহমান (২৮)কে এক প্যাকেট গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক মূল্য ২০০ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ১০টার দিকে আলমডাঙ্গার ঘোলদাড়ী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তারেক উজ-জামান শুভ (২২)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত মসলেম আলীর ছেলে। পুলিশ তার কাছ থেকে ২০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। উদ্ধার করা ইয়াবার ওজন দুই গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ছয় হাজার টাকা বলে পুলিশ জানিয়েছে। এদিকে, আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আরও তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হাটবোয়ালিয়া ও মুন্সিগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের পৃথক অভিযানে ভাংবাড়ীয়া (কারিগরপাড়া) গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে মো. মন্টু (৪৫), ভাংবাড়ীয়া (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের খুনতি আলীর ছেলে মো. সম্রাট (২৯) এবং বড় পুটিমারী গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মো. মিনারুল ইসলাম ওরফে মিনারা (৩৫)কে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, মাদকসহ গ্রেপ্তার আব্দুর রহমান ও তারেক উজ-জামান শুভকে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য সামারি ট্রায়াল কোর্টে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে, আদালতের পরোয়ানাভুক্ত তিন আসামিকে সংশ্লিষ্ট মামলায় পরোয়ানা অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।