
ঢাকা, ২৮ মার্চ ২০২৬ – দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমুদ্রপথের পাশাপাশি পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ডিজেল আমদানির কাজ শুরু হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে বাংলাদেশ–ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে প্রথম চালান ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল প্রবাহিত হতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, পুরো চালান দেশে পৌঁছতে আগামী এক থেকে দুই দিন সময় লাগতে পারে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকায় আপাতত দেশের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই। তিনি বলেন, “আমরা তেল সরবরাহে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভোক্তা ও শিল্পখাতে ডিজেলের ক্রমাগত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে পাইপলাইনের মাধ্যমে আমদানিতে জোর দিয়েছি।”বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠা-নামা এবং সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে অনিশ্চয়তার মধ্যে পাইপলাইন সরবরাহ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।পটভূমিবাংলাদেশ–ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পটি ভারতের Numaligarh Refinery Limited থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপো পর্যন্ত ডিজেল সরবরাহের জন্য নির্মিত। ২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়া এই পাইপলাইন দেশের উত্তরাঞ্চলে দ্রুত ও সাশ্রয়ীভাবে জ্বালানি পৌঁছে দিতে সক্ষম।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রাখা হবে।সংক্ষেপ:ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ৭,০০০ টন ডিজেল পাইপলাইনে ঢুকতে শুরু করেছে।পুরো চালান আগামী এক থেকে দুই দিনে দেশে পৌঁছাবে।বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকায় আপাতত দেশের জ্বালানি সংকট নেই।পাইপলাইন সরবরাহ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ।