মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে এক শিক্ষার্থীর দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিভ্রান্তি ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা ওই বক্তব্যকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।জানা যায়, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ব্রাইট মডেল স্কুলের এক শিক্ষার্থী ‘রাজাকার ও রাজাকারের চামচা’ চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তুতি নেয়। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থী দাবি করে, তাকে উক্ত চরিত্রে অভিনয় করতে নিষেধ করা হয়েছে।এ বিষয়ে শিক্ষার্থীর কাছে জানতে চাইলে সে জানায়, তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক লিটন স্যার নাকি তাকে অভিনয় করতে নিষেধ করেছেন এবং এ নিষেধাজ্ঞা নাকি ঊর্ধ্বতন মহল থেকে এসেছে বলে তাকে জানানো হয়।তবে অভিযোগটি সরাসরি অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক লিটন। তিনি বলেন,“আমি এ ধরনের কোনো কথা বলিনি। শিক্ষার্থী যে বক্তব্য দিয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন।”অন্যদিকে, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তারও বিষয়টি পরিষ্কারভাবে নাকচ করেছেন। তিনি বলেন,
“অনুষ্ঠানে কোনো ধরনের অভিনয়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। শুধু মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক থিম অনুসরণের নির্দেশনা ছিল। কে কোন চরিত্রে অভিনয় করবে, সে বিষয়ে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি।”এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন,
“এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। যাচাই করলে এর কোনো সত্যতা পাওয়া যাবে না।”সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, না জেনে ও না বুঝে শিক্ষার্থীর এমন বক্তব্য পরিস্থিতিকে অযথা বিতর্কিত করে তুলেছে। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।










