
দীর্ঘদিন পর দেখা হওয়ায় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে অনেকে। অনেকের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলো। ঈদ পুনর্মিলনীতে এসে আবার নতুন করে হলো বন্ধুত্বের সম্পর্ক স্থাপন।
এই মিলন মেলার আয়োজন করে আলমডাঙ্গা আলোকিত ৭১ বন্ধু সংগঠন। গতকাল রবিবার সকাল সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই আয়োজনে প্রায় ৫০ জন বন্ধু অংশ নেয়। এ উপলক্ষ্যে আলোচনা, স্মৃতিচারণ, দুপুরের খাবারে অংশ নেন সকলে।
আলোচনায় বন্ধুরা একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার প্রত্যয় ঘোষণা করেন। আলোকিত ৭১ বন্ধু সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলোকিত ৭১ বন্ধ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম সাবেদ আলী। প্রধান অতিথি সবেদ আলী বলেন আমাদের এই পরিবার বা সংগঠনের সাথে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। শৈশবের সেই দুরন্ত দিনগুলো, একসাথে খেলার মাঠ, ঈদের নতুন জামা পরে ঘুরে বেড়ানো এই স্মৃতিগুলো আমাদের হৃদয়ের সম্পদ। সময় বদলায়, চুলে পাক ধরে, কিন্তু মনের গভীরে সম্পর্কের যে বন্ধন তা কখনো পুরনো হয় না। আজ যখন আমরা পরস্পরের মুখের দিকে তাকাচ্ছি, তখন হয়তো অনেক কথা, অনেক হাসি, অনেক কষ্টের গল্প মনে পড়ছে। এই পুনর্মিলনী সেই সুযোগ দিচ্ছে যেখানে আমরা পুরনো ভুল বোঝাবুঝি ভুলে, নতুনভাবে একে অপরকে আঁকড়ে ধরতে পারি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দর্শনা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডঃ মোঃ আব্দুস শহীদ ও সংগঠনের প্রচার সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক খন্দকার শাহ আলম মন্টু। অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক ডাক্তার আলী আকবর আকু। স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন বন্ধুবর অর্ধেন্দু কুমার সাহা, ডাক্তার মতিউর রহমান, সুনীল কুমার সাধু খাঁ, আজিবুর রহমান, মোজাম্মেল হক, আমজাদ হোসেন, বজলুর রহমান, দলিলুর রহমান, আব্দুর রইচ,আজিম উদ্দিন, আনসার আলী, আব্দুর রহিম জোয়ার্দ্দার,আব্দুল মান্নান, মসলেম উদ্দিন,মোখলেসুর রহমান,গোলাম মোর্তজা, হারুনার রশিদ, জমির উদ্দিন প্রমুখ। সভায় আলোকিত ৭১ বন্ধু সংগঠনের ৩১ জন ইন্তেকাল করাই তাদের স্মরণে শোক প্রস্তাব দিতে হয় এবং তাদের রুহের মাগফেরাত করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।