
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঢলে পদ্মা ও যমুনা সেতুতে যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দুই সেতু থেকে সম্মিলিতভাবে ১২ কোটি ৫ লাখ ৮৮ হাজার টাকা টোল আদায় করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ)।শুক্রবার (২০ মার্চ) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের ঈদের এই মৌসুমে পদ্মা সেতু দিয়ে গত তিন দিনে মোট ১ লাখ ৯ হাজার ২৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় হয়েছে। শুধু পদ্মা সেতু থেকেই একদিনে আদায় হয়েছে ৮ কোটি ৭২ লাখ ৬৬ হাজার ১৫০ টাকা। এর আগে ২০২৫ সালের ৫ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ৫২ হাজার ৪৮৭টি যানবাহন পারাপারের রেকর্ড থাকলেও এবারের ঈদযাত্রায় সেই সংখ্যা অতিক্রান্ত হয়েছে। বিশেষ করে মাওয়া প্রান্ত দিয়ে মোটরসাইকেলের ব্যাপক চাপের কারণে আলাদা লেন ও অতিরিক্ত বুথ চালু রাখা হয়েছে।এদিকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতুতেও যানবাহন চলাচলের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই সেতু দিয়ে মোট ৫১ হাজার ৩৮৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা গত বছরের সর্বোচ্চ ৪৮ হাজার ৩৬৮টি পারাপারের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। একদিনে যমুনা সেতু থেকে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৫১ লাখ ৮২ হাজার ৬০০ টাকা।সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের যাতায়াত ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সহজ করতে নিরলস কাজ চলছে। তিনি বলেন:"সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানের সরাসরি তদারকি ও নির্দেশনায় এবার ঈদযাত্রা অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক হয়েছে। টোল প্লাজায় প্রতি ৩ সেকেন্ডে ১০টি গাড়ি পার করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।"এবার ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সেতু কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে:
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঈদের আগের দিনগুলোতে যানবাহনের এই চাপ আরও বাড়তে পারে। তবে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকায় কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই সাধারণ মানুষ নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারবেন বলে আশ্বস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।