
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় একটি ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও সাধারণ গ্রাহকদের কাছে জ্বালানি তেল বিক্রি না করার অভিযোগে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে ফিলিং স্টেশনটিতে কয়েকশ ক্ষুব্ধ জনতা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মধ্যস্থতা করে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে সরকার জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রথা তুলে দিলেও আলমডাঙ্গার বেশ কিছু ফিলিং স্টেশনে সাধারণ চালকদের চাহিদামতো তেল দেওয়া হচ্ছিল না। আজ সকালে ওই ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল ও ট্রাক চালকরা অভিযোগ করেন যে, পাম্পে পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও কর্মচারীরা "তেল নেই" বলে বিক্রি বন্ধ করে দেয়।
এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা পাম্পের ভেতরে তেলের মজুদের প্রমাণ পেলে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। উত্তেজিত জনতা পাম্পের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং পাম্প কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবৈধ মজুদের স্লোগান দিতে থাকেন।ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন মোটরসাইকেল চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "পাম্পের ভেতরে ড্রামে ড্রামে তেল ভরে রাখা হচ্ছে, অথচ আমাদের বলা হচ্ছে তেল নেই। আমরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছি না। তারা বেশি দামে অন্য কোথাও পাচারের উদ্দেশ্যে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।"খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং পাম্প কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেন। পুলিশের উপস্থিতিতে পাম্প কর্তৃপক্ষ পুনরায় তেল বিক্রি শুরু করার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।যদিও বর্তমানে পুলিশি নজরদারিতে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে, তবে স্থানীয়রা দাবি তুলেছেন যেন নিয়মিত প্রশাসনিক তদারকি করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে রেশনিং তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও স্থানীয় পাম্পগুলো কেন এই তালবাহানা করছে, তা খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন আলমডাঙ্গাবাসী