
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় সাম্প্রতিক কয়েক দিনে পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেনের অস্বাভাবিক চাহিদা লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় তেল ডিলারদের দাবি, অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই প্রায় তিন মাসের সমপরিমাণ জ্বালানি বিক্রি হয়েছে।
ডিলাররা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতার খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেক যানবাহনের মালিক আগেভাগেই পেট্রোল ও ডিজেল কিনে মজুদ করতে শুরু করেন। ফলে হঠাৎ করেই তেল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন ও ক্রেতার চাপ তৈরি হয়।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও সম্ভাব্য সরবরাহ বিঘ্নের আশঙ্কায় দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি কেনার প্রবণতা বেড়ে গেছে। অনেক এলাকায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি তেল বিক্রি হয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও পরিবহন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত চাহিদা দেখা দিয়েছে। তবে সরকার জানিয়েছে, দেশে জ্বালানির মজুদ রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
আলমডাঙ্গার কয়েকজন তেল পাম্প মালিক জানান, কয়েক দিনের মধ্যেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি বিক্রি হওয়ায় তাদের ব্যবসা এবার বেশ লাভজনক হয়েছে। তবে বর্তমানে ক্রেতার চাপ কমে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে এসেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, গুজব বা আতঙ্কে অতিরিক্ত জ্বালানি কেনা বাজারে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি ব্যবহারের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।