
রাজধানীর মিরপুর ১ ও ১০ নম্বর এলাকায় ট্রাফিক বিভাগের কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতায় চলছে রেজিস্ট্রেশনবিহীন টেম্পু, এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। তাদের দাবি, এসব টেম্পুর বেশিরভাগ চালকের কাছেই নেই বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স।
অভিযোগ রয়েছে, মাসিক টাকা দিয়েই অবৈধ টেম্পুগুলোকে বৈধতার আড়ালে চালানো হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এভাবে দীর্ঘদিন ধরেই মিরপুরের বিভিন্ন সড়কে চলছে এসব টেম্পু।
মিরপুর ১ মাজার রোড থেকে শুরু করে সনি সিনেমা হল চত্বর পর্যন্ত মূল সড়কে বসেছে অসংখ্য অটো ও ভাসমান দোকান। এতে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই সংশ্লিষ্টদের।
ফুটপাতে বসা প্রতিটি দোকান থেকে প্রতিদিন তিনশত টাকা করে আদায় করা হয় বলেও দাবি করেন দোকানিরা। অভিযোগ আছে, অবৈধ টেম্পু থেকে মাসোহারা নেয়া হয় ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
ভক্সপপ-
অন্যদিকে, রাস্তার পাশে দুই চাকার ভ্যানগাড়ির বিক্রেতাকে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কথা বলার অভিযোগ উঠেছে সার্জেন্ট সুজনের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ভ্যানগাড়িটি ডাম্পিং দেয়ার একদিন পর তাকে ১৩শ টাকা জরিমানাও করা হয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
ভক্সপপ- (ভুক্তভোগী পেয়ারা বিক্রেতা)
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, যেখানে অবৈধ অটো ও দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, সেখানে উল্টো ছোট ব্যবসায়ীদেরই টার্গেট করা হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে টিআই জোবায়ার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, সার্জেন্ট সুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সট- টিআই জোবায়ার, পুলিশ কর্মকর্তা, মিরপুর, ডিএমপি।
পে-অফঃ
মিরপুর ১ মাজার রোড থেকে সনি সিনেমা হল চত্বর পর্যন্ত প্রধান সড়কে অবৈধ টেম্পু, ফুটপাত দখল এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ চান তারা।
প্রতিবেদক: সোহেল রানা, মিরপুর, নাগরিক।