
উলিপুর উপজেলা দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই ছাড়ার পার এলাকা মোঃ মজিবর রহমানের (৭৫ ) সঙ্গে তার ছোট ভাই মোঃ আব্দুল মজিদ (৬৮) এর ছেলে সন্তান দের সঙ্গে জমি জমার বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলিয়া আসার কারনে প্রায় সময় তাকে সহ তার পরিবারের সদস্যদের মারপিট করার হুমকি প্রদান করিয়া আসিতেছিল।এমতাবস্থায় মোঃমজিবররহমানের ছেলে মোঃ আবুল খায়ের(আব্দুল্লা)সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিন -০৬/০৩/২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ০৩.০০ ঘটিকার সময় আবুল খায়ের নামের ব্যক্তি পার্শ্ববর্তী স্থান হইতে পায়ে হেটে নিজ বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হইলে মোঃ মোস্তাফিজার রহমান (৩০), পিতা-মোঃ আঃ মজিদ এর বাড়ীর সামনে কাঁচা রাস্তার উপর পৌছামাত্রই অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন পূর্ব বিরোধের জের ধরে হাতে লোহার রড, লাঠি, ছোড়া, দা, কুড়াল ইত্যাদি দেশীয় মারাক্তক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হয়ে একই উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তথায় আসিয়া পথরোধ করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। ঐ সময়-মোঃ আবুল খায়ের প্রতিবাদ করিলে মোঃ মোস্তাফিজার রহমান হত্যার লক্ষ্যে তাহার হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা মাথায় বাড়ি মারিয়া মাথার বামপার্শ্বে কাটা গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। যাহাতে ৪,টি সেলাই আছে। ওই সময় আরো তিন-চার জন তাহাদের হাতে থাকা বাশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাথারী ভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলাছিলা জখম করে। মারপিটের ফলে আবুল খায়ের মাটিতে পড়ে গেলে মুস্তাফিজার এবং তার বড়ো ভাই মোঃ মোস্তফা মিয়া (৩৫), বুকের উপর বসে তার হাত দিয়ে গলা চেপে ধরে এবং হত্যার চেষ্টা করে। ইহাতে নিশ্বাস বন্ধ হয়ে মরার উপক্রম হয় এবং নাক মুখ দিয়া ফেনা বাহির হইতে থাকে। ঐ সময় তার ডাকচিৎকারে তার মা মোছাঃ আয়শা বেগম আগাইয়া গেলে বিবাদীদের হাতে থাকা বাশের লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তাহাদের দিকে এগিয়ে আসে। এবং এক পর্যায়ে মোঃ আবুল খায়েরের স্ত্রী মোছাঃ রোকসানা বেগম আগাইয়া গেলে তার মাথার চুল ও পড়নের কাপড় টানা হেচরা সহ শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটায়। এমতাবস্থায় তাদের ডাকচিৎকারে কতক আশেপাশের লোকজন এসে বিবাদীগনের কবল হইতে তাদের উদ্ধার করিলে বিবাদী গন বিভিন্ন ভয়ভীতি সহ জীবন নাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল হইতে চলিয়া যায়। এরপর আবুল খায়েরের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় কতক জনের সহযোগীতায় একটি অপরিচিত অটোযোগে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। যাহার রেজিঃ নং-২৬৬৬/১৯, এসএল নং-৩০।মোছাঃ রোকসানা বেগম বলেন আমি ও আমার শ্বাশুরী স্থানীয় ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহন করি। এবং ঘটনার সময় উপস্থিতি স্থানীয় কয়েকজনের মারফতে থানায় উপস্থিত হয়ে তাদের কতক জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি। এবং ভুক্তভোগী বলেন আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তাই আমি সহ আমার পরিবারের সকলে প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচারের দাবি জানাই।