
আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা জনাব তারেক রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক শোকবার্তা ও গুরুত্বপূর্ণ বাণী প্রকাশ করেছেন।বাণীতে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে রাজধানীর পিলখানা বিডিআর সদর দপ্তর-এ সংঘটিত মর্মান্তিক সেনা হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন। জাতির ইতিহাসে এটি একটি শোকাবহ ও বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে দিনটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে “জাতীয় শহীদ সেনা দিবস” হিসেবে পালিত হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী শহীদ সেনা সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানান।বাণীতে আরও বলা হয়, পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম বর্তমানে চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে এই ঘটনার নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র সক্রিয় ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ঘটনার পর বিভিন্ন অপতথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে যাতে কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে ক্ষতিগ্রস্ত করা না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস পালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।