খুলনার পাইকগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, থানা পুলিশ, পাইকগাছা সরকারি কলেজ, পৌরসভা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে স্মরণ করা হয়। এ সময় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।এ সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ফজলে রাব্বী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আঃ মজিদ, ওসি মোঃ গোলাম কিবরিয়া, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পার্থ প্রতিম রায়, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ একরামুল হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন শাহা, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এসএম এমদাদুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম এনামুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ।এসএফডিএফ কর্মকর্তা জিএম জাকারিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ওসি তদন্ত মোঃ ইদ্রিসুর রহমান, সেকেন্ড অফিসার আতিক রহমান, বিএনপি নেতা তুষার কান্তি মণ্ডল, জামায়াত নেতা সিনিয়র প্রভাষক আব্দুল মমিন সানা ও তামিম রায়হান, খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ হাসিবুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দীন, সহ-সভাপতি মোঃ আজিজুল ইসলাম, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার ঘোষ, অনাথ কুমার বিশ্বাস, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মরিউম আক্তার ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আঃ ওহাবসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।আলোচনা সভায় বক্তারা ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। বক্তারা বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা ও বাংলা ভাষার শুদ্ধ চর্চায় নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দিবসের সকল কর্মসূচিতে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।










