
ঘড়ির কাঁটা ঘুরলেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে এবারের নির্বাচনে ছয় প্রার্থীর মধ্যে তিনজন হেভিওয়েট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৪ হাজার ২৫২ জন।ইসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মণিরামপুর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মোট ১২৮টি কেন্দ্রে সারাদিন বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে ৮টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ ও ১২টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।নির্বাচন সামনে রেখে প্রশাসনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসন স্তরভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন এসব তথ্য জানান।তিনি বলেন, নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে থানা পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, বিজিবি, আনসার ব্যাটালিয়ন, গ্রাম পুলিশ, মোবাইল টিম ও অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন থাকবে। সার্বক্ষণিক ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।প্রতিটি কেন্দ্র এলাকায় ৩ থেকে ৫টি থ্রি-ডি সিসি ক্যামেরা বসানো হবে, যা স্মার্টফোনের মাধ্যমে সরাসরি মনিটর করা যাবে। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে, যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার প্রস্তুতি আগেই শনাক্ত করা যায়। ড্রোনটির রেঞ্জ প্রায় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত কাভার করতে সক্ষম।তিনি আরও জানান, থ্রি-ডি সিসি ক্যামেরায় যুক্ত বিশেষ সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে কন্ট্রোল রুম থেকে নির্দিষ্ট এলাকায় সরাসরি বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।সর্বশেষ প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মোঃ সম্রাট হোসেন বলেন,“১২৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮টি গুরুত্বপূর্ণ ও ১২টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। সাংবাদিকদের মাধ্যমে মণিরামপুরবাসীকে বলতে চাই—এই নির্বাচনে কোনো ধরনের অপরাধ বা বিশৃঙ্খলা হলে অপরাধী যে দলেরই হোক, সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”