
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় নিজ বসতঘর থেকে রাহিমা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের গাংগাটিয়া মধ্যপাড়া এলাকার বিল্লালের স্ত্রী। বিল্লাল পেশায় লেপ-তোষকের ব্যবসায়ী।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় রাহিমা স্বামীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাজার করে বাড়িতে ফেরেন। পরে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি ছেলে রাহাত (৭) ও মেয়ে সুমাইয়া (১৫)-কে খাবার খাইয়ে পাশের কক্ষে শুইয়ে দেন। স্বামী বিল্লাল প্রতিদিনের মতো রাতে দেরিতে বাড়ি ফেরেন বলে তিনি দরজা লক না করেই নিজ কক্ষে শুয়ে পড়েন।রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাহিমাকে হত্যা করে বলে ধারণা করছে পুলিশ। হত্যার পর লাশ সরানোর চেষ্টা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। এ সময় বারান্দায় থাকা একটি সেলাই মেশিনে ধাক্কা লাগলে শব্দ হয়। শব্দ শুনে নিহতের মেয়ে বাইরে এসে মাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করে।মেয়ের চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ঘটনাস্থলে গলা কাটা অবস্থায় রাহিমার লাশ দেখতে পান। পরে বিষয়টি তার স্বামীকে ফোনে জানানো হলে তিনি দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসেন।ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।