
চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান, মাটি ও মানুষের গর্ব মোহাম্মদ শাহীদুজ্জামান টরিক (সিআইপি) কে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক রেমিট্যান্স ক্যাটাগরিতে অনন্য অবদান রাখায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নীলমণিগঞ্জ ফুটবল মাঠে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২ নং মমিনপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মোহাম্মদ শাহীদুজ্জামান টরিক দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থেকে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তার এ অবদান শুধু জাতীয় পর্যায়েই নয়, চুয়াডাঙ্গা জেলার জন্যও গর্বের বিষয়। তার সাফল্য নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে অনুপ্রাণিত করবে।প্রবাসে থেকেও দেশের মানুষের কথা ভাবা ও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা সত্যিকারের দেশপ্রেমের পরিচয়। মোহাম্মদ শাহীদুজ্জামান টরিক তার কর্ম ও অবদানের মাধ্যমে সে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।অনুষ্ঠানে সাইদুজ্জামান টরিক তার বক্তব্যে বলেন,আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন এই নীলমণিগঞ্জ ও মমিনপুর এলাকার মানুষের জন্য আমি যেন কিছু করতে পারি। আমি একদিন স্বপ্ন দেখেছিলাম চুয়াডাঙ্গার মাটি ও মানুষের ঋণ শোধ করার। আজ আল্লাহ আমাকে সেই সুযোগ করে দিয়েছেন।আপনারা জানেন কিনা জানি না আজ থেকে প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর আগে পাশ কমলাপুর এলাকার পাশে ১৮টি সংযোগ সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা আমি করেছিলাম। তখন প্রত্যেক চেয়ারম্যানকে বলেছিলাম সবাই মিলে একটি করে রাস্তা দেন, কোনো ডিলের প্রয়োজন নেই, আমি সরাসরি রাস্তা পাশ করিয়ে দেব। আমি আমার কথা রেখেছিলাম, সেই রাস্তাগুলো করে দিয়েছিলাম।আপনারা যদি শরিফুজ্জামান শরীফকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, আর বাংলাদেশে যদি বিএনপি সরকার গঠন করে এবং জনাব তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে আমি আপনাদের কাছে অঙ্গীকার করছি আমি নিজে তারেক রহমানের কাছে গিয়ে বলবো, মিয়া ভাই, চুয়াডাঙ্গার পাঁচ লাখ ভোটারের মধ্যে তিন লাখ ভোট ধানের শীষের পক্ষে পড়েছে। চুয়াডাঙ্গাবাসীর ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিতে চাই। আপনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, চুয়াডাঙ্গার জন্য আলাদা বরাদ্দের ব্যবস্থা করে দিন।আমি মমিনপুরবাসীর কাছে ঋণী। এমন সব প্রকল্প নিয়ে যেতে চাই, যেগুলো মমিনপুরবাসীর সরাসরি উপকারে আসবে। মমিনপুরের মানুষ যেন আমার এই অবদানের কথা মনে রাখে। আমার মৃত্যুর পরেও মানুষ যেন বলতে পারে টরিক ভাই আমাদের ঋণ শোধ করে দিয়ে গেছেন।বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৪ বছরেরও বেশি সময় আগে। এই সময়ে অনেক এমপি হয়েছে, অনেক মানুষ জনসভায় বক্তব্য দিয়েছে। কিন্তু আমি আপনাদের কাছে স্পষ্ট করে বলতে চাই আমরা চুয়াডাঙ্গা থেকে কিছু নিতে আসিনি, আমরা চুয়াডাঙ্গাকে কিছু দিতে এসেছি।শরিফুজ্জামান শরীফ যদি চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য হন, তাহলে চুয়াডাঙ্গার উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নে আমার জন্য কাজ করা সহজ হবে। আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছি চুয়াডাঙ্গা একটি অবহেলিত জেলা। এই অবহেলিত জেলাকে আমরা একটি উন্নত জেলায় রূপান্তরিত করবো।চুয়াডাঙ্গায় যত বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, আমাদের সন্তানেরা চাকরির সুযোগ পাবে, ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হবে।অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, মোঃ হাবিবুর রহমান শেখন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোমিনপুর ইউনিয়নের বিএনপি'র সভাপতি, মোঃ খলিলুর রহমান।অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, মোমিনপুর ইউনিয়নের সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম, আব্দুল গফুর মাস্টার, জাহাঙ্গীর আলম ঝন্টু, মাস্টার নজরুল, মাস্টার মনু মল্লিক টুকু, মল্লিক আব্দুল হান্নান, আব্দুল কুদ্দুস, রাজ্জাক মিয়া হাসান মালিক, রাঙ্গা মিয়া, বেল্টু মিয়া, গেন্দু মিয়া।