চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের বটিয়াপাড়া এলাকায় আপন তিন ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই ভাই তাদের অপর এক ভাইকে নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি দিচ্ছেন এমন অভিযোগ উঠেছে।অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীরা হলেন পিতা আব্দুর সাত্তারের তিন ছেলে: বড় ভাই বাবুল (৫৫), মেজো ভাই বিপুল (৪৭) এবং ছোট ভাই শিমুল (৩০)।ভুক্তভোগী বিপুল অভিযোগ করে জানান, তার আপন দুই ভাই বাবুল ও শিমুল দীর্ঘদিন ধরে তাকে জমি সংক্রান্ত মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি ও চাপ দিয়ে আসছেন। তার দাবি, মামলাটি প্রত্যাহার না করলে তার ফসলি জমি ধ্বংস করা হবে এমন হুমকিও দেওয়া হচ্ছে এবং বাস্তবেও তার জমির ক্ষতি করার চেষ্টা চালানো হয়েছে।বিপুল আরও জানান, তিনি দীর্ঘদিন ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। সম্প্রতি নিজ এলাকায় ফিরে এসে পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তার অভিযোগ, দুই ভাই প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে প্রভাব খাটিয়ে তাকে নানাভাবে চাপের মধ্যে রাখছেন।জানা যায়, তিন ভাই ও তিন বোনের মোট ২৭ বিঘা সম্পত্তি আলমডাঙ্গা থানার সালিসের মাধ্যমে সকলের মধ্যে বণ্টন করা হয়। সালিসে প্রত্যেকের জমি নির্ধারিতভাবে ভাগ করে দেওয়া হলেও বিপুলের অংশ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গোলযোগ সৃষ্টি করে আসছেন বাবুল ও শিমুল। অভিযোগ রয়েছে, তারা বিপুলের জমি দখলে নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন।ভুক্তভোগী বিপুল ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, চুয়াডাঙ্গার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কলিমুল্লাহর নিকট আত্মীয় সুবাদের মাধ্যমে বাবুল ও শিমুল তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন। প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে আত্মীয়দের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে।এ বিষয়ে বিপুল বলেন, আমি ন্যায়বিচার চাই। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাকে বারবার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার ফসলি জমি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।বর্তমানে আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও বাবুল ও শিমুল মামলা তুলে নিতে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন এবং ফসলি জমি ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবুল ও শিমুলের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।









