
শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন, নদী-খাল খননের মাধ্যমে কৃষির পুনর্জাগরণ এবং আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলাই টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক ও খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে দেশবিরোধী একটি চক্র নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এসব অপচেষ্টা উপেক্ষা করে জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। জনগণের সচেতন ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই ন্যায়ভিত্তিক, সুশাসন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের বাকা বাজার ঈদগাহ মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাড়ুলী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর হাফেজ তৌহিদুজ্জামান নূরের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি মহিববুল্লাহ ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, সিনিয়র প্রফেসর ও জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল মমিন সানা।এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবির খুলনা জেলা দক্ষিণের সভাপতি আবু জার আল গিফারী, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক রায়হান হোসেন, উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা বুলবুল আহম্মেদ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালেক, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি ডা. আসাদুল ইসলাম ও নির্বাহী সদস্য মো. আকবর হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবির পাইকগাছা পৌর থানা সভাপতি সাইদুল ইসলাম, সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম, পাইকগাছা থানা দক্ষিণের সেক্রেটারি সেলিম গোলদার, স্কুল বিভাগের পরিচালক নাহিদ হাসান, রাড়ুলী ইউনিয়ন নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল ইসলাম, সেক্রেটারি শেখ নজরুল ইসলাম, বায়তুলমাল সেক্রেটারি মো. শফিকুল ইসলামসহ ওয়ার্ড পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।