আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যতিক্রমী এক প্রতিশ্রুতি নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের প্রার্থী মোঃ শরীফুজ্জামান। তাঁর ঘোষিত উদ্যোগ “স্টার্টআপ চুয়াডাঙ্গা” ইতোমধ্যেই জেলার তরুণ সমাজের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও সাড়া ফেলেছে।চাকরিনির্ভর মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসা শুরু করার বাস্তব সুযোগ সৃষ্টি, প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা এবং দিকনির্দেশনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এই পরিকল্পনাকে অন্যান্য নির্বাচনী অঙ্গীকারের চেয়ে আলাদা করেছে।এই উদ্যোগের আওতায় তরুণদের জন্য স্টার্টআপ ফান্ড গঠন, অভিজ্ঞ উদ্যোক্তা ও বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে মেন্টরশিপ, অফিস ও কাজের উপযোগী অবকাঠামো সুবিধা এবং ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ তৈরির কথা বলা হয়েছে। এসব কারণে অনেকেই “স্টার্টআপ চুয়াডাঙ্গা”কে শুধু একটি নির্বাচনী স্লোগান নয়, বরং সময়োপযোগী ও ভবিষ্যৎমুখী একটি বাস্তব পরিকল্পনা হিসেবে দেখছেন।এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে একাধিক তরুণ জানান, এতদিন রাজনীতিতে তাদের সমস্যার কথা শোনা হলেও কার্যকর সমাধানের উদ্যোগ খুব একটা চোখে পড়েনি। এবার প্রথমবারের মতো তাদের সম্ভাবনা ও সক্ষমতাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যা তাদের মধ্যে নতুন আশার জন্ম দিয়েছে।সব মিলিয়ে, তরুণ সমাজের ক্ষমতায়ন ও স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে ঘোষিত “স্টার্টআপ চুয়াডাঙ্গা” উদ্যোগটি নির্বাচনী মাঠে একটি ব্যতিক্রমী ও বহুল আলোচিত প্রতিশ্রুতি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।









