চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের আলমডাঙ্গা উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে আলমডাঙ্গা উপজেলার যুগিরহুদা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, জামায়াতের নারী কর্মীরা সাধারণ ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। একই সঙ্গে কোরআন শরীফ ছুঁইয়ে শপথ করানোর অভিযোগও তোলা হয়। বিষয়টি জানতে চাইলে জামায়াতের নারী কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুরুষ কর্মীদের ডেকে এনে বিএনপি সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় বহিরাগত লোকজন লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে দফায় দফায় হামলা চালায় বলে দাবি বিএনপির।অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর দাবি, রবিবার দুপুরে তাদের কয়েকজন নারী কর্মী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপি সমর্থকদের বাধার মুখে পড়েন তারা। একপর্যায়ে নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ জামায়াতের।আহত নেতাকর্মীদের হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন,
নির্বাচনী মাঠের শান্ত পরিবেশ পরিকল্পিতভাবে অশান্ত করা হচ্ছে। জামায়াতের অতর্কিত হামলায় নারীসহ আমাদের ৮ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।অপরদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের বারবার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির হামলায় নারীসহ আমাদের ৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক আছে।









