
বিজিবির পৃথক অভিযানে ১ লাখ ৯ হাজার ৩০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা, একটি প্রাইভেটকার ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এসব অভিযানে দুইজন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) সূত্র জানায়, ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ মংজয়পাড়া বিওপি ও রেজুখাল চেকপোস্টে নিয়মিত তল্লাশি এবং ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় এসব অভিযান পরিচালিত হয়।বিজিবি জানায়, প্রথম অভিযানে শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রেজুখাল চেকপোস্টে ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করা হয়। এ সময় গাড়ির অতিরিক্ত চাকার ভেতর লুকানো অবস্থায় ৭৫ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক আব্দুল হক (৪৬) কে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।এরপর দ্বিতীয় অভিযানে একই দিন দুপুরে রেজুখাল চেকপোস্টে তল্লাশিকালে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী আরেকটি প্রাইভেটকারের এক যাত্রী মিলন মাহমুদ সজিব (২৭) কে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে করালেতার পেটে ইয়াবার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তার দেহ থেকে ৩ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।এরপর তৃতীয় অভিযানে একই দিন দুপুরে মংজয়পাড়া বিওপির একটি বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার-৪২ থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জামিরতলি এলাকায় একটি পাহাড়ি বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫ লিটার বাংলা মদ জব্দ করা হয়।কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারার দায়িত্বই নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।তিনি আরও জানান, আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাদের উদ্ধারকৃত মালামালসহ পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।