আলমডাঙ্গার গর্ব: জাতীয় রাজনীতির ময়দানে আলমডাঙ্গার সন্তান সোহেল রানা

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমারী ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রাম—এই গ্রাম থেকেই উঠে এসেছেন এমন একজন মানুষ, যিনি আজ জাতীয় রাজনীতির ময়দানে আলোচিত নাম। একজন গণমাধ্যমকর্মী থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হওয়ার এই যাত্রা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়, এটি আলমডাঙ্গার মানুষের জন্য গর্ব, আত্মপরিচয় আর সম্ভাবনার প্রতীক।
আলমডাঙ্গা থানার শ্যামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মোঃ সোহেল রানা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৪ আসন থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর দলীয় মনোনয়ন পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি জামায়াত-সমর্থিত ১০ দলীয় জোটভুক্ত এলডিপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন।
একটি সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া সোহেল রানা ১৯৯৬ সালে আলমডাঙ্গা পাইলট হাই স্কুল থেকে সেকেন্ড ডিভিশনে এসএসসি পাস করে ঢাকায় শিক্ষাজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি যুক্ত হন সাংবাদিকতা পেশায়।
দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমে কাজ করতে গিয়ে সোহেল রানা অন্যায়, অনিয়ম ও অপরাধের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা রেখে চলেছেন। বর্তমানে তিনি ‘দা নিউজ বিশ্লেষণ টিম’-এর নিয়ার ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। একই সঙ্গে তিনি জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকায় সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাঠের সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে অপরাধ বিশ্লেষণ—সবখানেই তাঁর পরিচিতি একজন নির্ভীক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনেও দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় সোহেল রানা ২০১৩ সালে বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী নেতা, প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার কর্নেল অলি আহমেদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর অঙ্গসংগঠন গণতান্ত্রিক যুবদলে যোগদান করেন। দীর্ঘ সময় রাজপথের একজন সৈনিক হিসেবে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন তিনি।
বর্তমানে তিনি এলডিপির অঙ্গসংগঠন গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল রয়েছেন এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দলীয় রাজনীতিতে তাঁর এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও ত্যাগই আজ তাঁকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে।
সোহেল রানার এই রাজনৈতিক যাত্রা আলমডাঙ্গার তরুণ সমাজের জন্য এক শক্তিশালী অনুপ্রেরণা। শ্যামপুর গ্রামের একজন সাধারণ মানুষের সন্তান আজ জাতীয় সংসদে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন—এটি প্রমাণ করে, যোগ্যতা ও সততা থাকলে গ্রাম থেকেও জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসা সম্ভব।
স্থানীয়রা বলছেন,
“সোহেল রানা শুধু একজন প্রার্থী নন, তিনি আলমডাঙ্গার সন্তানের পরিচয় বহন করছেন। তাঁর বিজয় মানে আলমডাঙ্গার কণ্ঠ জাতীয় সংসদে আরও জোরালোভাবে পৌঁছে যাওয়া।”
নিজ এলাকার মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে জাতীয় রাজনীতির ময়দানে এগিয়ে যেতে চান সোহেল রানা। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং বলেছেন—সুযোগ পেলে তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে কাজ করবেন।
আলমডাঙ্গার সন্তান হিসেবে তাঁর এই লড়াই শুধু একটি আসনের নির্বাচন নয়—এটি আলমডাঙ্গার পরিচয়, সম্মান ও ভবিষ্যতের প্রতিনিধিত্ব।
আলমডাঙ্গার গর্ব, আলমডাঙ্গার সন্তান—মোঃ সোহেল রানা।

সর্বশেষ খবর