
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-১ সংসদীয় আসনে তিনজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চূড়ান্ত হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দ শেষে প্রার্থীদের সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণে ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন ভোটাররা।বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে অংশ নেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের তিন প্রার্থী। অনুষ্ঠানে নিজ নিজ দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তারা।চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে যাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা হলেন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফ।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী, চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী, চুয়াডাঙ্গা জেলা ইসলামী আন্দোলনের সহ-সভাপতি মোঃ জহুরুল ইসলাম।প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় তিন প্রার্থীকে একসঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কথা বলতে দেখা যায়। তারা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।এ সময় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শরিফুজ্জামান শরীফ বলেন,“আমরা সবাই চাই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। জনগণের রায়ের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।”দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন,“নির্বাচনী প্রতিযোগিতা থাকবে, তবে সৌহার্দ্য বজায় রেখেই আমরা এগিয়ে যেতে চাই। নির্বাচনে বিশৃঙ্খার কোনো সুযোগ নেই।”হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন,“নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে—এই প্রত্যাশাই আমাদের।”প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে এবার একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।