চুয়াডাঙ্গা-১ (চুয়াডাঙ্গা সদর-আলমডাঙ্গা) আসনে আসন সমঝোতা নিয়ে চলমান রাজনৈতিক আলোচনা নতুন মোড় নিয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কে আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়টি শুরুতে আলোচনার বিষয় হলেও, শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী নিজস্ব প্রার্থী নিয়ে নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দলীয় একাধিক সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা, তৃণমূলের মতামত এবং সাংগঠনিক শক্তি বিবেচনায় নীতিগতভাবে কোনো দলকে আসন ছাড় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থীই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
জামায়াতের স্থানীয় নেতারা উল্লেখ করেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে দলটির দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভিত্তি, শক্তিশালী ভোটব্যাংক এবং আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে। এজন্য আসন ছাড় দিলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলার ইউনিট নেতারা মাঠ পর্যায়ের রিপোর্টে এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানান।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,
“চুয়াডাঙ্গা-১ আসন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সংগঠন শক্তিশালী এবং কর্মী সমর্থন রয়েছে। এসব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আজ রাতে আমাকে চূড়ান্ত মনোনীত হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।”
এদিকে, এনসিপি মনোনীত প্রার্থী মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতের এই অবস্থান নির্বাচন কার্যক্রমকে নতুন মাত্রা দেবে। দলীয় নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে জনসংযোগ ও প্রচারণা কার্যক্রম ত্বরান্বিত করেছেন।










