মাগুরার মহম্মদপুরের পাল্লা গ্রামে গভীর রাতে গাছকাটা অবস্থায় ৩ জনকে আটক করেছে মহম্মদপুর থানা পুলিশ। মাগুরার মহম্মদপুরস্থ পাল্লা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে রাতের আঁধারে গাছ চুরির ঘটনায় এলাকাবাসী হতবাক। এসময় পুলিশের অভিযানে হাতেনাতে ধরা পড়েছে নাইটগা্রড সহ ৪ জন। শ্রমিকদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, এই কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছেন খোদ বিদ্যালয়ের অভিভাবকতুল্য প্রধান শিক্ষক আব্দুল আলিম ও সভাপতি জিল্লুর রহমান। প্রধান শিক্ষকের নিকট থেকে গাছগুলো কিনেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সাদেক হোসেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ রক্ষা করা যাদের দায়িত্ব, তারাই কি তবে ধ্বংসের কারিগর? আগেও যখন পাল্লা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের গাছ চুরির অভিযোগ উঠেছিল, তখন প্রধান শিক্ষক আব্দুল আলিম সাহেব বুক ফুলিয়ে তা অস্বীকার করেছিলেন। কিন্তু কথায় আছে, “চোরের দশ দিন, গৃহস্থের একদিন।” ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবী করেছে এলাকা বাসী সেই সাথে এই কনকনে শীতের গভীর রাতে খবর পাওয়া মাত্রই মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুজ্জামান নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ৪ জনকে আটক করায় তাঁর এই দায়িত্বশীল ভূমিকায় এলাকাবাসীকে মুগ্ধ । তবে,স্হানীয় জনমনে এখন প্রশ্ন জেগেছে? রক্ষণাবেক্ষণ নাকি লুটপাট? স্কুলের সম্পদ যাচ্ছে কার পকেটে। তারা প্রশাসনের কাছে এই বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচার প্রত্যাশা করছে।










