চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জামজামি ইউনিয়নের ভোদুয়া গ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক হাজী আফজালুল হক মিয়া (৮৫) আর নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুর খবরে আলমডাঙ্গাসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। শেষবারের মতো প্রিয় এই গুণী মানুষটিকে এক নজর দেখতে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের মানুষ তার গ্রামের বাড়িতে ভিড় করেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় ভোদুয়া গ্রামের ঈদগাহ মাঠে মরহুমের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ঈদগাহ মাঠ ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, জেলা জামায়াতের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দারুস সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমির সাইফুল ইসলাম বকুল, জামজামি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বাবলু চৌধুরী, জামজামি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলম শাহসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট মুসলেম উদ্দিন, চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট শাহাবুদ্দিন আহমেদ, প্রকৌশলী আকমল হোসেন গোল্ডেন, প্রকৌশলী আব্দুল ওয়াদুদ রিপন, ডা. আব্দুল ওয়াহেদ স্বপন, সংগঠনিক সম্পাদক জাফর জুয়েল, ঐশিকা সংস্থার দুদু মিয়া, শাহিদ মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়াসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এলাকাবাসী জানান, মরহুম হাজী আফজালুল হক মিয়া ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক, শিক্ষানুরাগী ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক। তার জীবনব্যাপী শিক্ষা ও মানবিক কর্মকাণ্ড এলাকার মানুষের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন পুত্র, চার কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার ইন্তেকালে এলাকাবাসী একজন আলোকিত মানুষ হারাল বলে মন্তব্য করেন শোকসন্তপ্ত মানুষজন।










