উত্তরের হিমেল হাওয়ার তান্ডবে কনকনে শীত আর ঘন কুয়াশায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। গত দুইদিনে এ অঞ্চলে সূর্যের দেখা মেলেনি। সড়ক-মহাসড়কে ঘন কুয়াশার চাদর ভেদ করে পরিবহণগুলো চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা খড়কুটো, কাঠ ও আবর্জনা দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষ কাজে যেতে না পেরে কোনভাবে দিন পার করেছে। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ। সকাল থেকেই বইছে কনকনে ঠান্ডা বাতাস। গত ৪৮ ঘণ্টা সূর্যের উত্তাপ না থাকায় ভূপৃষ্ঠ হিমশীতল হয়ে পড়েছে। খুব প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। যারা বের হচ্ছেন, তাদের গায়ে ভারি গরম কাপড় দেখা যাচ্ছে। শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল’সহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে রোগীর চাপ বেড়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শীতজনিত নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অ্যাজমা ও সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তাই শিশু ও বৃদ্ধদের সব সময় গরম কাপড় পরিধান করার পাশাপাশি গোসলের সময় মৃদু গরম পানি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আশঙ্কা, এ অবস্থা চলতে থাকলে চলতি মাসে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে। চলতি মাসে দেশে অন্তত পাঁচ দফায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।










