
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের আওতাধীন ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির (১১–২০ গ্রেড) স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনার আলোকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ও গণমাধ্যমে চিঠি ইস্যু করে,
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মহাখালী, ঢাকা এর সূত্রে নথি নং স্বাঃ অধিঃ/প্রশা-২/সি.এস-চুয়াডাঙ্গা-নিয়োগ পরীক্ষা অনিয়ম/রিট মামলা অনন্ত/২০২৫/৪০০২/১(৯), তারিখ ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, চুয়াডাঙ্গায় অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে দায়েরকৃত রিট পিটিশন মামলা নং-১০৭৬৬/২০২৫ এ হাইকোর্ট বিভাগের ০৮ জুলাই ২০২৫ তারিখের রায় ও আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
অভিযোগকারী সাকিল আহম্মেদ এবং মোহাঃ উম্মে আতাইয়া সোহানার অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদসমূহ সরেজমিনে তদন্তের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রকাশিত সংবাদের মধ্যে দৈনিক বাংলা বাজার, দৈনিক মানবকণ্ঠ, দৈনিক মাথাভাঙ্গা এবং দৈনিক সময়ের সমীকরণে প্রকাশিত প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় তদন্ত কমিটি চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী মোঃ আইনুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামীকাল বুধবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সভাপতি ডা. কাজী মোঃ আইনুল ইসলাম বলেন, তদন্ত চলমান থাকায় এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য বা সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব নয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে অনিয়ম সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশকারী গণমাধ্যমকেও উপস্থিত থাকার জন্য চিঠি দেওয়া হয়। এ সময় দৈনিক মানবকণ্ঠ ও দৈনিক মাথাভাঙ্গার পক্ষে মোঃ আব্দুল্লাহ হক, দৈনিক সময়ের সমীকরণের পক্ষে সামি, দৈনিক আজকের চুয়াডাঙ্গার স্টাফ রিপোর্টার মুন্না রহমান, রেডিও চুয়াডাঙ্গার আশিক আহমেদসহ জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সাংবাদিকরা তাদের প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষাপট, মতামত ও সংশ্লিষ্ট প্রমাণাদি তদন্ত কমিটির কাছে উপস্থাপন করেন। তদন্ত কমিটি সকল বক্তব্য ও কাগজপত্র গ্রহণ করে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করছে বলে জানানো হয়।