মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও হেভিওয়েট আসন হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাট-১ (জয়পুরহাট সদর-পাঁচবিবি) আসনে নির্বাচনী তৎপরতা দিন দিন জোরদার হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলা জামায়াতের আমীর মোঃ ফজলুর রহমান সাঈদ।। আজ ২৯ ডিসেম্বর সোমবার জয়পুরহাট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ১২টি রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ জানান, তারা শুধুমাত্র দলীয় পরিচয়ের কারণে নয়, বরং মোঃ ফজলুর রহমান সাঈদের সততা, স্বচ্ছ নেতৃত্ব, মানবিক কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের মতে, জনগণের পাশে থেকে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন,জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হওয়ার অনেক আগ থেকেই মোঃ ফজলুর রহমান সাঈদ নীরবে, নিষ্ঠার সঙ্গে এবং কোনো প্রচার-প্রতিপত্তি ছাড়াই জয়পুরহাট-১ আসনের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দুর্যোগ, ঝড়-বৃষ্টি কিংবা প্রতিকূল পরিস্থিতি উপেক্ষা করে মানবতার সেবায় নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় মোঃ ফজলুর রহমান সাঈদ বলেন,আমি মানুষের সেবা করার নিয়ত নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে মাঠে আছি। আজ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ যে আস্থা ও সমর্থন প্রকাশ করেছেন, তা আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ইনশাআল্লাহ নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে জয়পুরহাট-১ আসনের মানুষের কল্যাণেই নিজেকে নিয়োজিত রাখব। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই সঙ্গে ১২ দলের নেতাদের উপস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেওয়া জয়পুরহাট-১ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এতে করে আসন্ন নির্বাচনে এই আসনটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে তারা মনে করছেন। মনোনয়ন জমা কার্যক্রমকে ঘিরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা ছিল প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর।










