চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, “শিক্ষার মানোন্নয়ন একটি সম্মিলিত প্রক্রিয়া। শিক্ষক, অভিভাবক, প্রশাসন ও স্থানীয় সমাজ—সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
বৃহস্পতিবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে কুলগাঁও সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়, ভোলানাথ মনোরমা কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় এবং ফিরোজশাহ সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়–এর ম্যানেজিং কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে মেয়র এ মন্তব্য করেন।
মেয়র বলেন, “বর্তমানে আর্থিক সংকটের কারণে চসিকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রত্যাশিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে আমি বন্দর থেকে প্রাপ্য হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়, রাজস্ব আদায়কে স্বচ্ছ করা এবং নতুন রাজস্ব উৎস সৃষ্টির মাধ্যমে চসিককে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে—নতুন অবকাঠামো নির্মাণ, ভবন সংস্কার, শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা-সহায়ক কার্যক্রমের ভর্তুকি বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা উপকরণ সরবরাহসহ সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।”
মেয়র এ সময় বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটিগুলোর প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি, ফলাফল উন্নয়ন, এবং নিরাপদ ও মানসম্মত শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে।”
সভায় তিনটি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ঘাটতি, শিক্ষকের শূন্যপদ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-সহায়ক কার্যক্রম, মাঠ ও ক্রীড়া সুবিধা এবং সংস্কারসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেয়র সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমা বিনতে আমিনসহ ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ।










