
চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ঐতিহাসিক বধ্যভূমি থেকে গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ, লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও পথসভার মধ্য দিয়ে তার প্রচারণার যাত্রা শুরু হয়। প্রচারনা শুরুর আগে বধ্যভূমিতে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে গণ অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার সদস্য সচিব ইবনুর রশীদ মাশুকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা সদস্য পিয়ারুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার হোসেন, যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান হিরনসহ গণ, যুব, শ্রমিক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। “জ্ঞান, উন্নয়ন ও আলোকিত জনপদ গড়ার অঙ্গীকার”—অ্যাডভোকেট হাবিব পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান বলেন “দেশের প্রথম রাজধানীকে জ্ঞান, উন্নয়ন ও আলোকিত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা আমার অঙ্গীকার। উন্নয়ন, অধিকার ও সুশাসনের জন্য ট্রাক মার্কায় ভোট দিন।”
তিনি আরও বলেন—
“চুয়াডাঙ্গায় মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং এক নতুন উন্নয়নধারার চুয়াডাঙ্গা গড়াই আমার লক্ষ্য। আমরা চাঁদাবাজি করি না, টেন্ডারবাজি করি না। সৎভাবে রাজনীতি করতে চাই। আমাদের লুটপাটের টাকা নেই, তাই ভোট কেনার প্রশ্নই আসে না। চুয়াডাঙ্গা–আলমডাঙ্গার সন্তান হিসেবে আমাকে ট্রাক প্রতীকে ভোট দিয়ে পাশে থাকুন।” তিনি জানান, ট্রাক প্রতীক নিয়ে আজ থেকেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নেমেছেন এবং ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের অধিকার, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের বার্তা তুলে ধরবেন।গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধা, আইনজীবী ও জন-অধিকার সংগ্রামী নেতা চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অন্যতম সক্রিয় যোদ্ধা ছিলেন অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান। পেশায় তিনি একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। তিনি এলএল.বি (অনার্স) ও এলএল.এম. ডিগ্রি অর্জন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।বর্তমানে তিনি—গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আইন সম্পাদক,বাংলাদেশ আইনজীবী অধিকার পরিষদের ঢাকা বার ইউনিটের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চুয়াডাঙ্গা–১ আসনে নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশা চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা নিয়ে গঠিত ৭৯ চুয়াডাঙ্গা–১ আসনে তার প্রচারণার সূচনা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। স্থানীয় নেতাদের ভাষায়— “গণঅধিকার পরিষদের এই প্রার্থী সামাজিক দায়বদ্ধতা, স্বচ্ছ নেতৃত্ব এবং উন্নয়নকেন্দ্রিক রাজনীতির নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হবেন।” নাগরিক অধিকার, যুব উন্নয়ন, জবাবদিহি ও আধুনিক অবকাঠামোর প্রতিশ্রুতি অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো হলো— নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন চাকরি ও উদ্যোক্তা সুবিধাভিত্তিক যুব উন্নয়ন পরিকল্পনা আধুনিক, নিরাপদ ও টেকসই অবকাঠামো শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বড় প্রকল্প চুয়াডাঙ্গাকে রোল মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলা bউন্নয়ন, সুশাসন ও জবাবদিহির বার্তা নিয়ে মাঠে ট্রাক প্রতীক আধুনিক ও প্রগতিশীল চুয়াডাঙ্গা গড়ার লক্ষ্যে তার প্রচারণা যেন নতুন রাজনৈতিক পরিবেশের সূচনা করেছে। সামাজিক দায়বদ্ধতা, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও উন্নয়ন—এই চার স্তম্ভকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা–১ আসনে তিনি নতুন নেতৃত্বের বিকল্প হিসেবেই জনগণের কাছে নিজেকে উপস্থাপন করছেন।










