
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন -২০০৯ এর আওতায় চারটি মামলা দায়ের করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। এসব মামলায় ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীসহ মোট ১৭৭ জনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি আরো ১১০০জনকে অজ্ঞত আসামী দেখানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে রাষ্ট্র বিরোধী কার্যক্রম, ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা, নিরাপত্তা বিঘ্ন করা এবং জনমনে ক্রাশ ও আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে।
চারটি মামলায় বিস্তারিত, ভাংগা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আফজাল হোসেন বাদী হয়ে দুটি মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় মামলায় ৩৬ জনের নাম উল্লেখ, তৃতীয় মামলায় বাদী এস আই প্রশান্ত কুমার মন্ডল। এ মামলা নাম রয়েছে ৩৪ জনের। প্রদত্ত মামলায় বাদী এসআই রামপ্রসাদ চক্রবর্তী। এখানে নাম উল্লেখ করা হয়েছে ৪৭ জনের। প্রতিটি মামলায় আরো অনেককে অজ্ঞত আসামি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ আসামিদের মধ্যে আছেন বর্তমান ও সাবেক ১৬ জন ইউপি চেয়ারম্যান।
ঘটনার পটভূমি
গত ১৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগের ঘোষিত লকডাউন কর্মসূচির দিন ভাঙ্গার পুলিয়া, মনসুরাবাদ, সুয়াদিও পুখুরিয়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এবং ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার পরে ভাঙ্গা থানায় চারটি মামলা রুজু করা হয়।পুলিশের বক্তব্য: ভাংগা থানার ওসি মোঃ আশরাফ হোসেন বলেন, সান্তার বিরোধী আইন-২০০৯ এর ৬(২)-এর আলোকে নাশকতার পরিকল্পনা, পরিস্থিতি, সমর্থন ও অর্থায়নসহ সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। জনমতে আতঙ্ক সৃষ্টি ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্ন করার চেষ্টা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।










