
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় দস্যুতা মামলার ঘটনায় তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জানা গেছে, গত ১৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. মিরাজুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মৃত আকবর আলী, সাং-আসাননগর, থানা-আলমডাঙ্গা, জেলা-চুয়াডাঙ্গা বিদেশ থেকে নিজ বাড়িতে আসেন। এরপর ২৪ অক্টোবর ভোর ৪টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি প্রাইভেটকারে (রেজি. নং: রাজ. মেট্রো-ক-০২-০১৪৬) তার মা মোছাঃ সজিরন নেছা, স্ত্রী ও ছোট ভাই নাজমুল ইসলামকে নিয়ে যশোরে আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে রওনা হন। গাড়িটি রোয়াকুলি গ্রামের টেংরামারী মাঠে পৌঁছালে রাস্তায় গাছের ডাল ফেলে রাখা অবস্থায় বাধার মুখে পড়ে। এ সময় মুখোশধারী ৩-৪ জন দস্যু ধারালো চাপাতি ও রামদা নিয়ে গাড়িটি ঘিরে ধরে। তারা বাদীর মায়ের স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী মিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে আলমডাঙ্গা থানায় দস্যুতা মামলা (নং-৩৫, ধারা-৩৯২ পেনাল কোড) দায়ের করেন। মামলার পর আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান পিপিএম-এর নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার সঙ্গে জড়িত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন মো. আল আমিন হোসেন (২২), পিতা মজনুর রহমান, গ্রাম ডাউকি (ইসলামপাড়া) মো. মিজানুর রহমান মন্টু (৪২), পিতা আব্দুর রাজ্জাক, গ্রাম আসাননগর মো. শিলন হোসেন (২০), পিতা মোশারোফ হোসেন, গ্রাম কামালপুর (চরপাড়া) তিনজনই আলমডাঙ্গা থানাধীন এলাকার বাসিন্দা।গ্রেফতারের পর মো. আল আমিন হোসেন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দস্যুতা ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান পিপিএম বলেন “ঘটনার পরপরই পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তির সহায়তা ও মাঠ পর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে দস্যুতা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”










