
চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের বাদু মাঝি ও বিনোদপুর মাঠের পাশে যুব সমাজের উদ্যোগে ক্যানালের দুই ধারে রোপণ করা প্রায় ২০০টি কাঁঠাল গাছ রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হয়েছে। এই অযাচিত বৃক্ষনিধনের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে চারটায় “বিনোদপুর-বাদু মাঝি যুব সমাজ” এর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—“আমরা গাছ লাগাই, তারা গাছ কাটে। ন্যায় চাই, বিচার চাই।”মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, দুই মাস আগে যুব সমাজের উদ্যোগে পরিত্যক্ত ক্যানালের দুই পাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে কাঁঠাল গাছ রোপণ করা হয়। প্রতিদিন গাছগুলোকে পানি দেওয়া ও যত্ন নেওয়া হতো। গাছগুলো ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছিল, কিন্তু কিছু অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত রাতের অন্ধকারে ২০০টিরও বেশি গাছ কেটে ফেলে পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে।বক্তারা বলেন, “আমরা এই গাছগুলো লাগিয়েছিলাম গ্রামের মানুষের উপকারের জন্য—যাতে ফল খেতে পারে, ছায়ায় বিশ্রাম নিতে পারে, আর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পায়। কিন্তু কিছু অসাধু মানুষ সেই স্বপ্ন নষ্ট করেছে। প্রশাসনের কাছে আমরা জোর দাবি জানাই, দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।”তারা আরও জানান, ভবিষ্যতেও তারা গাছ লাগানোর কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন এবং গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন নতুন গাছগুলো যেন গরু-ছাগল থেকে রক্ষা করে যত্নে রাখেন।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন—ডাউকি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির সজিবুর রহমান,বাংলাদেশ গণধিকার পরিষদের চুয়াডাঙ্গা জেলা সাধারণ সম্পাদক ইগনোর রশিদ মাসুক,চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান স্বপন, সিঙ্গার ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী মোঃ আশরাফুল আলম আকরাম,
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আখতারুজ্জামান মিলন, মোঃ আবদুর রহিম, মোঃ সবুজ আলী, মোঃ আব্দুল ওহাব, মোঃ ইখলাস উদ্দিন, আকতার আলী, বিল্লাল হোসেন, শহীদুল ইসলাম ও আহাদ আলী প্রমুখ।আয়োজকরা জানান, এটি কেবল একটি প্রতিবাদ নয়, বরং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান। তারা প্রশাসনের পাশাপাশি এলাকাবাসীকেও আহ্বান জানান—“গাছ বাঁচান, দেশ বাঁচান।”










