উজ্জ্বল কুমার : নওগাঁয় বিদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডে পুড়ে যায় দরিদ্র আবুল কালামের মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই বসত বাড়ি। নওগাঁর উপজেলার একডালা ইউনিয়নের পাঁচুপুর গ্রামে নাগর নদীর বাঁধে এই ঘটনা ঘটে।
পরবর্তিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাণীনগর উপজেলা শাখার সহযোগিতায় আবুল কালাম সরকারি সহায়তার জন্য আবেদন করেন।
সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সরকারি সহায়তা হিসেবে আবুল কালামকে টিন, নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার পৌছে দেন রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাকিবুল হাসান। এসময় উপজেলার উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ রায়হান আলী উপস্থিত ছিলেন। ভুক্তভোগী ঐ গ্রামের মৃত- তায়েছ মন্ডলের ছেলে আবুল কালাম জানান গত ১৫ অক্টোবর সকালে পরিবারের সবাইকে নিয়ে মাঠে কাজে যায়।
এরকিছু পর স্থানীয়রা আবুলের বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখে আবুলকে খবর দেয়। এরমধ্যে আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়ে যায় আবুলের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত বাড়িটি। শুধুমাত্র মাটির দেয়ালটুকু কালো রং ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে আর অবশিষ্ট সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে ঘরের সকল উপকরণ সহ আনুমানিক অর্ধলক্ষাধিক টাকার আসবাবপত্র পুড়ে গেছে দরিদ্র আবুল কালামের। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাণীনগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে কিছু আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন তিনি। এরপর সরকারি সহায়তার জন্য আবেদন করার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যার এসে দুই বান্ডিল টিন, ঘর মেরামতের খরচ হিসেবে নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার দিয়ে গেছেন।
এমন সহায়তা প্রদান করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন দরিদ্র আবুল কালাম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাকিবুল হাসান জানান, আবেদনের প্রেক্ষিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধিনে আগুনে সব হারানো দিনমজুর আবুলকে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। দুর্যোগকালীন সময় ও অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায়, গরীব ও দুঃস্থদের সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান এই কার্যক্রম সারা বছরই অব্যাহত রয়েছে। ক্ষতি গ্রস্থরা সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদন করলে যাচাই সাপেক্ষে এই সরকারি অনুদান প্রদান করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।