
মোঃ নুরুজ্জামান খোকন : পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলাধীন ১নং সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন, কালীগঙ্গা নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। ৪ অক্টোবর (শনিবার) সকাল ১০ঘটিকায় উপজেলার ১নং সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের সয়না গ্রামের নদী তীরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবার এ মানববন্ধন করে। জানা যায় কাউখালীর সয়না মৌজায় কালীগঙ্গা নদীতে জেলা প্রশাসক আড়াই একর বালুমহল ইজড়া দিয়ে আসছে,কিন্তু নির্দিষ্ট ইজারাকৃত জায়গা ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করার ফলে সয়না, ধাবরী,মেঘপাল গ্রাম সংলগ্ন নদী ভাঙন ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকাবাসী। ক্ষুব্ধ হয়ে উক্ত বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এ সময় ১নং সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রুস্তুম আলী সরদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ,সমাজসেবী নজরুল ইসলাম তালুকদার,বিএনপি নেতা কবির হোসেন সিকদার,ছাত্রনেতা আল আমিন,ইউপি সদস্য ফিরোজ খান, ইউপি সদস্য সোনালি রানী দাস প্রমুখ। এ বিষয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবু সাঈদ তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ঢাকা থাকায় মুঠোফোনে তিনি বলেন,অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে একাধীকবার অবগত করা হয়েছে। প্রশাসন সরজমিনে গিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উত্তোলনকারীদের জরিমানা ও বলগেট জব্দ করলেও তাদের বালি উত্তোলন চলমান রয়েছে। এমনকি ঠিকাদার বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করা সহ ভয়ভিতি প্রদর্শন করে আসছে। তিনি আরো বলেন এই দ্বীপটির চারদিকে নদী থাকায় ভাঙ্গন ঠেকানো সম্ভব নয়,তাই অবৈধ বালি উত্তোলন বন্ধ করা এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী। মানববন্ধনে অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা বলেন,অবৈধ ভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে আমাদের বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি এরই মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এভাবে যদি বালু উত্তোলন চলতে থাকলে এলাকার সব বাড়ি-ঘর ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।









