
ঢাকায় ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু শারদীয় দুর্গোৎসব, সাজানো মণ্ডপে আলোকসজ্জা ও শক্তিশালী নিরাপত্তা
আশ্বিনের বাতাসে মিষ্টি শারদীয়ার গন্ধ ছড়িয়ে গেছে, আর মহাষষ্ঠীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) থেকে ঢাকায় পাঁচদিনের মূল দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে।
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে সরেজমিন দেখা গেছে, প্রতিমা নির্মাণ, প্যান্ডেল সাজানো ও আলোকসজ্জার সব কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে। মূল মণ্ডপে দাঁড়িয়ে আছে দশভুজা দেবী দুর্গা, চোখে পড়ে নয়নাভিরাম আলোকসজ্জা ও রঙিন সাজসজ্জা। দর্শনার্থী ও ভক্তদের ভিড়ও উৎসবের আমেজ বাড়াচ্ছে।
নিরাপত্তার ব্যাপারেও কোনো ঘাটতি নেই। মন্দির প্রাঙ্গণে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং পুলিশ, র্যাব ও ডিএমপির অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন আছে। র্যাবের কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবক টিমও দর্শনার্থীদের সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
ঢাকার এবার মোট ২৫৯টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে, যা গতবারের তুলনায় সাতটি বেশি। সারাদেশে এই সংখ্যা ৩৩,৩৫৫টি, যা প্রায় হাজার খানেক বেশি। দুর্গাপূজা চলবে ২ অক্টোবর পর্যন্ত। পঞ্জিকা অনুযায়ী, মহালয়া, বোধন এবং সন্ধিপূজা মিলিয়ে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে।
দেবী দুর্গার আগমন হবে গজে, অর্থাৎ হাতির পিঠে চড়ে। এবং দশমীতে দেবী মর্ত্যলোক ত্যাগ করবেন দোলায় চড়ে। এই আচার অনুযায়ী, গজে আগমন শুভ ও শস্য-শ্যামলার ইঙ্গিত বহন করে, আর দোলায় গমন মহামারি বা মড়কের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পুরোহিত ধর্মদাস চট্টোপাধ্যায় জানান, সকাল ১০টার দিকে ষষ্ঠীপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সন্ধ্যায় দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে পূজার মূল অনুষ্ঠান চলবে।










