
মোঃ জাহিদ হোসেন : বরিশালের হিজলা উপজেলায় ত্যাগী ছাত্রদল নেতাদের পদবঞ্চিত করার পাঁয়তারা করছে একটি মহল। একাধিকসুত্রে তথ্য পাওয়া গেছে। উপজেলায় রাজনীতিক পদধারী কতিপয় সাংবাদিক একের পর এক ত্যাগী ছাত্রদল নেতাদের নামে কল্পকাহিনী সাজিয়ে সংবাদ করে আসছেন। ঐ রাজনৈতিক পদধারী সাংবাদিকের লক্ষ তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ করলেই পদবঞ্চিত। হিজলা গৌরবদী ইউনিয়নের বাসিন্দা উপজেলা ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লা জানান দীর্ঘদিন ছাত্রদলের রাজনীতি করছি। ২৮ শে অক্টোবর ঢাকায় আন্দোলনে গিয়ে পুলিশের হাতে অনেক অত্যাচারের সিকার হই জেলেও যাই । গত ৫ ই আগস্টের পর শতশত ছাত্রনেতা নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করি।আমার বিরুদ্ধে প্রশাসনের কথা বলে গরুর খামারির থেকে দেড় লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ দিয়ে সংবাদ করে। একটি পক্ষ আমার রাজনৈতিক সুনাম নষ্ট করার লক্ষ্যে সংবাদ প্রকাশ করে। যাতে দলীয় পদপদবী থেকে বঞ্চিত হই। সরেজমিনে গেলে গরুর খামারের মালিক মোসলেম মীর জানান ঘটনার দিন হিজলা থানার পুলিশ আমার বাড়িতে চোরাই গরু আছে সন্দেহ আমাকে থানায় নিয়ে যায়। এ সংবাদ শুনে পার্শবর্তী বাড়ির ছাত্রদল নেতা ইসমাইল আমাকে ছাড়াতে আসে। উল্টো ইসমাইলের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ করে। তিনি রাগান্বিত হয়ে আরো বলেন আমাদের পরিবারের কাছে ইসমাইল কোনো অর্থ দাবি করেনি। যিনি সংবাদ করেছে হয়ত তার কাছে চাইতে পারে। একেইভাবে হিজলা কলেজ ছাত্রদলের হয়ত সাধারণ সম্পাদক আরিফ তালুকদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির সংবাদ হয়। দীর্ঘদিন আরিফ তালুকদার আওয়ামীলীগ সরকারের বিরুদ্ধে নানা আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে কঠোর ভূমিকা রাখেন। নবাগত কমিটি গঠন করলে সংবাদের সত্যতা যাচাই না করেই তাকে পদবঞ্চিত করা হয়। আরিফ তালুকদার বলেন তার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের সত্যতা যাচাই করেনি জেলা ছাত্রদল। উপজেলা বি এন পির আহবায়ক আবদুল গাফফার তালুকদার জানান হিজলা একটি দুষ্ট চক্র ত্যাগী নির্যাতিত নেতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তকমা লাগিয়ে ফেইসবুক সহ কিছু মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার করায়।তাদের মূল লক্ষ হচ্ছে এসব ত্যাগী নেতাদের পদবঞ্চিত করা। এছাড়াও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ন আহবায়ক শামীম নোমান,হরিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক খালেক মাঝির বিরুদ্ধে সংবাদ করা হয়।










