আলমডাঙ্গাই রাস্তার পাশের গাছ যৌক্তিক কারন ছাড়াই কেটে ফেলার অভিযোগে প্রতিবাদ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী

আজ ২১/০৯/২০২৫ইং রবিবার চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানার হাউসপুর ব্রিজ হতে বেলগাছি অভিমুখে যৌক্তিক কারণ ছাড়া গাছ কাটার প্রতিবাদে সম্মিলিত আলমডাঙ্গা বাসির ব্যানারে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সংসদের সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের এমপি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন গণ অধিকার পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলার সদস্য সচিব ইঞ্জি. ইবনুর রশিদ মাসুক। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা একটি দুর্যোগ প্রবণ এলাকা এখানে ঠান্ডার সময় ঠান্ডা এবং গরমের সময় অনেক গরম পড়ে যার কারণে জীববৈচিত্রের ভারসাম্য রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ গাছ নেই সেখানে বিনা কারণে জেলা পরিষদ থেকে টেন্ডার এনে গাছ কাটা হয় এবং টেন্ডারের শর্ত মোতাবেক রাস্তা থেকে চার ইঞ্চি রেখে গাছ কাটার বিধান থাকলেও সরে জমিনে দেখা যায় গাছগুলো অনেক গভীর করে ৫/৬ ফুট খুড়ে গাছ কাটা হয়েছে যার কারণে রাস্তা যেকোন সময় ভেঙ্গে যেতে পারে বলে আশংকা করেছেন। বক্তব্য উনি আরো জানান যে, সরেজমিনের মাধ্যমে জানা গেছে এখানে টেন্ডারে ৭ টি গাছ কাটার অনুমতি আনা হলেও যে শর্তে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে যেগুলো মরা, ঝড়ে পড়ে যাও বা রাস্তায় চলাচলের সমস্যা হয় সেগুলো কাটার কথা থাকলেও ৪/৫ টা গাছ তেমন কোন সমস্যা না থাকলেও টেন্ডারে দেওয়া হয়েছে যার কোন যৌক্তিক কারণ নেই এবং টেন্ডারে দেখা যায় ৭ টি গাছের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১ লক্ষ ৭ হাজার টাকা কিন্তু গাছের বর্তমান বাজার মূল্য থেকে ছয় সাত গুণ কম দামে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে সেজন্য এখানে অন্য কারো স্বার্থ জড়িত আছে বলে মনে করা হয়।
তাই অতিবিলম্বে গর্ত ভরাট করার উদ্যোগ নিতে বলেন এবং ইজারাদারের শর্ত ভংগ করে গাছ কাটায় তার লাইসেন্স বাতিলের আহবান জানানো হয় এবং আরো বলেন উক্ত টেন্ডার থেকে যে টাকা এসেছে সে টাকা আলমডাঙ্গা তে গাছ লাগানোর বিষয়ে বরাদ্দ দেওয়ার আহবান জানানো হয় এবং প্রশাসন সেটা করতে ব্যর্থ হলে আমাদেরকে দায়িত্ব দিলে আমরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত স্থানে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করব। এবং বক্তব্য শেষে উক্ত স্থানে মেহেগুনি ও আম গাছ লাগানো শেষে উক্ত অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। উক্ত প্রোগ্রামে সাধারণ জনগণ একাত্মতা ঘোষণা করেন এবং এই বড় বড় গাছগুলো কাটার তারাও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সর্বশেষ খবর