
ফেসবুকের নীলাভ আলোতে শুরু হওয়া এক পরিচয় শেষ পর্যন্ত ভেঙে দিলো একটি সংসার। পাবনার গৃহবধূ খদিজা আক্তার নীলা (১৮) স্বামী-সন্তানকে ছেড়ে ঝিনাইদহের যুবক হৃদয়ের (৩০) ঘরে গিয়ে উঠেছেন।
জানা গেছে, নীলা ছিলেন সংসারী নারী। স্বামী নজরুল ইসলাম ও পাঁচ বছরের ফুটফুটে কন্যাকে ঘিরেই ছিল তাঁর জীবন। কিন্তু হঠাৎ ফেসবুক স্ক্রিনে ভেসে ওঠা এক নাম—”হৃদয়”—তার জীবনের গতিপথ পাল্টে দেয়। প্রথমে ছিল স্রেফ খোঁজখবর—“কেমন আছেন?”—এরপর প্রতিদিনের চ্যাট, রাতভর ফোনালাপ, ভালোবাসার ইমোজি। অল্প সময়েই নীলা আর হৃদয় অদৃশ্য বাঁধনে জড়িয়ে পড়েন। সংসারের টান ভুলে নীলা একদিন সকালে অগোচরেই রওনা দেন ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার হরিশপুর গ্রামে। সরাসরি গিয়ে উঠেন প্রেমিক হৃদয়ের বাড়িতে। শুধু তাই নয়, ঝিনাইদহ জজ কোর্টে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়েও সেরে ফেলেছেন তারা। অথচ নীলার স্বামী নজরুল ইসলাম এখনও ডিভোর্স দেননি। ফলে আইনি জটিলতা থাকলেও নীলা এখন প্রেমিকের ঘরেই অবস্থান করছেন। ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ বলছেন, “এটি ভালোবাসার জয়”, আবার অনেকের মতে, এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভয়ঙ্কর অপব্যবহার ও পারিবারিক মূল্যবোধের ভাঙনের নিদর্শন।
যাই হোক, ফেসবুকের এই প্রেমকাহিনি এখন ঝিনাইদহ ও পাবনার সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়, তুলেছে তুমুল আলোচনার ঝড়।










