
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ১২ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পৃথক এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌরসভার সাবেক মেয়র ও আঃ যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কায়সার আহম্মদ, বরগুনার বেতাগী উপজেলার সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ ইউনুছ আলী ওরফে ইলিয়াস, গাজীপুর মহানগরের যুবলীগ নেতা শামীম ওসমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড নেতা মাহমুদ দেওয়ান শিপু ও জামিল হোসেন, উত্তর সিটির কৃষক লীগ নেতা মোঃ সোলেমান, দক্ষিণ সিটির স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ইকরামুল হাসান রুবেল, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক যুবলীগ নেতা কাজী অলিদ ইসলাম, শ্রমিক লীগ নেতা মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম ওরফে জুয়েল খাঁ, ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগ নেতা মোঃ সজিব খান, দারুসসালাম থানা আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ আসলাম খান এবং কালিয়াকৈর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি হিরু মিয়া।
ডিবি সূত্র জানায়, সোমবার সকালে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এলাকা থেকে ইউনুছ আলীকে এবং বিকেলে উত্তরা মাস্কট প্লাজার সামনে থেকে শামীম ওসমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। একইদিন দুপুরে লালবাগ কেল্লা এলাকা থেকে মাহমুদ দেওয়ান শিপু ও সন্ধ্যায় লালবাগ শহীদ মাজাদ এলাকা থেকে জামিল হোসেনকে আটক করা হয়। পরে মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোড থেকে কায়সার আহম্মদ এবং রাতে তুরাগ থানার ফুলবাড়িয়া টেকপাড়া থেকে মোঃ সোলেমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া রাজধানীর ডেমরা, মিরপুর, ক্যান্টনমেন্ট, কোতোয়ালী, দারুসসালাম ও উত্তরা এলাকায় পৃথক অভিযানে বাকিদের আটক করা হয়।
ডিবির কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির পরিকল্পনা করছিলেন।
এর আগে রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে একই সংগঠনের চার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছিল ডিবি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।










